- Get link
- X
- Other Apps
বাসা ও অফিসের নিরাপত্তায় সেরা ১০টি স্মার্ট আইপি ক্যামেরা: আপনার গাইড ২০২৬
বর্তমান সময়ে নিজের পরিবার এবং সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন আপনার স্মার্টফোনটিই হয়ে উঠতে পারে আপনার বাসার পাহারাদার। আপনি পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন, একটি স্মার্ট আইপি ক্যামেরা (Smart IP Camera) ব্যবহার করে লাইভ দেখতে পারেন আপনার প্রিয়জন বা মূল্যবান জিনিসপত্রগুলো ঠিক আছে কি না।
আজকের ব্লগে আমরা দারাজ এবং বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে সবথেকে জনপ্রিয় ও ট্রেন্ডিং ১০টি স্মার্ট সিকিউরিটি ক্যামেরা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
কেন স্মার্ট আইপি ক্যামেরা ব্যবহার করবেন?
গতানুগতিক CCTV ক্যামেরার দিন শেষ। আইপি ক্যামেরা ব্যবহারের প্রধান সুবিধাগুলো হলো:
* সহজ সেটআপ: কোনো বড় ক্যাবল বা টেকনিশিয়ান ছাড়াই নিজে নিজে সেটআপ করা যায়।
* মোবাইল মনিটরিং: স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো জায়গা থেকে লাইভ দেখা যায়।
* টু-ওয়ে অডিও: আপনি শুধু শুনবেনই না, ক্যামেরার স্পিকার দিয়ে কথা বলতেও পারবেন।
* মোশন ডিটেকশন: বাসার ভেতরে কেউ নড়াচড়া করলে সাথে সাথে ফোনে এলার্ট আসবে।
সেরা ১০টি স্মার্ট আইপি ক্যামেরার বিস্তারিত রিভিউ
১. A9 Mini WiFi HD Camera
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ A9 Mini WiFi HD Camera |
দারাজে বর্তমানে এই PTZ Bulb Camera টি বেশ ট্রেন্ডিং, কারণ এটি ইন্সটল করা সবথেকে সহজ এবং সাশ্রয়ী। আপনার ব্লগের জন্য এই নির্দিষ্ট পণ্যটির একটি ইন-ডেপথ রিভিউ নিচে দেওয়া হলো:
রিভিউ: ১,২৫০ টাকায় ৩৬০ ডিগ্রি পাহারাদার! PTZ Bulb WiFi IP Camera কি আপনার কেনা উচিত?
বাসার নিরাপত্তা নিয়ে ভাবছেন কিন্তু ওয়্যারিং বা ড্রিল করার ঝামেলা নিতে চাচ্ছেন না? তাহলে PTZ Bulb System 360 Degree WiFi Panorama IP Camera হতে পারে আপনার জন্য সেরা সমাধান। বর্তমানে দারাজে এটি ৳১,৮৯০ টাকার বদলে মাত্র ৳১,২৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। চলুন জেনে নিই এই বাজেটের মধ্যে এটি কেমন পারফর্ম করে।
১. ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি
এই ক্যামেরাটির সবথেকে বড় প্লাস পয়েন্ট হলো এর ডিজাইন। এটি দেখতে হুবহু একটি বড় এলইডি বাল্বের মতো। এটি সাধারণ E27 হোল্ডারে (যেখানে আমরা সাধারণ বাল্ব লাগাই) সরাসরি ফিট হয়ে যায়। ফলে আলাদা কোনো পাওয়ার ক্যাবল বা অ্যাডাপ্টারের প্রয়োজন পড়ে না।
২. ভিডিও রেজোলিউশন ও ভিউ
ক্যামেরাটি ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক ভিউ সাপোর্ট করে। অর্থাৎ, আপনি আপনার স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে ক্যামেরাটিকে ডানে-বামে বা উপরে-নিচে ঘুরাতে পারবেন (PTZ Control)। এটি সাধারণত 1080P HD ফুটেজ প্রদান করে, যা দিনের আলোয় বেশ পরিষ্কার।
৩. নাইট ভিশন (Night Vision)
এতে ইনফ্রারেড নাইট ভিশন ফিচার আছে, যা সম্পূর্ণ অন্ধকারেও সাদা-কালো ছবি স্পষ্ট দেখাতে সাহায্য করে। কিছু মডেলে সাদা এলইডি লাইটও থাকে, যা রাতে জ্বালিয়ে রঙিন ভিডিও পাওয়া সম্ভব।
৪. টু-ওয়ে অডিও (Two-way Audio)
এই ক্যামেরায় বিল্ট-ইন মাইক্রোফোন এবং স্পিকার রয়েছে। এর মাধ্যমে আপনি দূর থেকে মোবাইলের অ্যাপ ব্যবহার করে ক্যামেরার সামনে থাকা ব্যক্তির সাথে কথা বলতে পারবেন। এটি বাচ্চাদের বা বয়স্কদের দেখাশোনার জন্য দারুণ কার্যকর।
৫. মোশন ডিটেকশন ও অ্যালার্ম
ক্যামেরাটির সামনে কোনো অস্বাভাবিক নড়াচড়া শনাক্ত হলে এটি সাথে সাথে আপনার স্মার্টফোনে একটি নোটিফিকেশন পাঠাবে। ফলে আপনি তাৎক্ষণিকভাবে চেক করতে পারবেন কী ঘটছে।
ভালো দিকগুলো (Pros):
* ইন্সটলেশন অত্যন্ত সহজ: কোনো মিস্ত্রি ছাড়াই শুধু বাল্বের মতো প্যাঁচ দিয়ে লাগিয়ে নেওয়া যায়।
* সাশ্রয়ী মূল্য: ১,২৫০ টাকায় ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা পাওয়া সত্যিই চমৎকার ডিল।
* লুকানো নিরাপত্তা: দূর থেকে দেখলে চট করে কেউ বুঝবে না এটি একটি ক্যামেরা।
* মাল্টি-ইউজার সাপোর্ট: পরিবারের একাধিক সদস্য একই সাথে ফুটেজ দেখতে পারেন।
কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons):
* ইন্টারনেট নির্ভর: এটি ব্যবহারের জন্য সার্বক্ষণিক ওয়াইফাই কানেকশন প্রয়োজন।
* ইনডোর ব্যবহার: এটি ওয়াটারপ্রুফ নয়, তাই সরাসরি বৃষ্টির নিচে বা বাইরে ব্যবহার না করাই ভালো।
* স্টোরেজ: ভিডিও সেভ করার জন্য আলাদা একটি মাইক্রো এসডি কার্ড কিনতে হবে।
আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন
আমাদের মতামত
আপনি যদি কম খরচে বাসার ড্রয়িং রুম, গ্যারেজ বা ছোট দোকানের জন্য একটি স্মার্ট ক্যামেরা খুঁজছেন, তবে PTZ Bulb Camera টি একটি ভ্যালু ফর মানি প্রোডাক্ট। বিশেষ করে বর্তমানে যে ডিসকাউন্ট চলছে, তাতে এটি একটি মাস্ট-বাই গ্যাজেট।
এটি বাজারের সবথেকে ছোট এবং সাশ্রয়ী ক্যামেরা। যারা খুব গোপনে বা ছোট জায়গায় ক্যামেরা সেট করতে চান, তাদের জন্য এটি সেরা। এতে আছে ম্যাগনেটিক বডি এবং রিচার্জেবল ব্যাটারি। এটি মূলত হিডেন ক্যামেরা হিসেবে বেশি পরিচিত।
এখনই অর্ডার করুন
২. V380 Pro Dual Lens IP Camera
![]() |
| অর্ডার করুন - daraz V380 Pro Dual Lens IP Camera |
বাইরের নিরাপত্তা বা আউটডোর সিকিউরিটির জন্য MexGen V380 PRO SC02 Dual Lens ক্যামেরাটি বর্তমানে একটি পাওয়ারফুল অপশন। দারাজে ৳৪,৫০০ টাকার পণ্যটি এখন ৳২,৯৫৬ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, যা ফিচারের তুলনায় বেশ সাশ্রয়ী।
রিভিউ: এক ক্যামেরায় দুই নজর! MexGen V380 PRO ডুয়াল লেন্স আউটডোর ক্যামেরা কেন সেরা?
আপনি কি এমন একটি ক্যামেরা খুঁজছেন যা আপনার বাড়ির সামনের রাস্তা এবং গেট একই সাথে কভার করবে? গতানুগতিক আইপি ক্যামেরায় যেখানে একটি নির্দিষ্ট দিকে নজর রাখা যায়, সেখানে MexGen SC02 নিয়ে এসেছে ডুয়াল লেন্স (Dual Lens) প্রযুক্তি। চলুন জেনে নিই কেন এটি আপনার সিকিউরিটি সিস্টেমের গেম-চেঞ্জার হতে পারে।
১. ডুয়াল লেন্স ও ডুয়াল স্ক্রিন (সবথেকে বড় আকর্ষণ)
এই ক্যামেরাটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে দুটি লেন্স আছে।
* ফিক্সড লেন্স: একটি লেন্স একটি নির্দিষ্ট দিকে স্থির থাকে।
* পিটিজেড লেন্স: অন্য লেন্সটি আপনি অ্যাপ দিয়ে ডানে-বামে বা উপরে-নিচে ঘুরাতে পারেন।
মোবাইল অ্যাপে আপনি একসাথে দুটি লেন্সের ফুটেজ দেখতে পাবেন, যার মানে হলো এক ক্যামেরার খরচে আপনি দুটি ক্যামেরার সুবিধা পাচ্ছেন।
২. ৪ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা এইচডি ফুটেজ
সাধারণ ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার চেয়ে এর ফুটেজ অনেক বেশি শার্প। ৪ মেগাপিক্সেল রেজোলিউশন হওয়ার কারণে মানুষের মুখ বা গাড়ির নাম্বার প্লেট শনাক্ত করা সহজ হয়।
৩. ফুল কালার নাইট ভিশন
অধিকাংশ ক্যামেরা রাতে সাদা-কালো ভিডিও দেয়। কিন্তু এই ক্যামেরায় শক্তিশালী LED Floodlights রয়েছে। যখনই কোনো নড়াচড়া শনাক্ত হয়, লাইটগুলো জ্বলে ওঠে এবং আপনি রাতের অন্ধকারেও রঙিন (Color) ভিডিও দেখতে পান। এটি অন্ধকারে অপরাধীদের ভয় দেখানোর জন্যও দারুণ কার্যকর।
৪. আইপি৬৬ ওয়াটারপ্রুফ বডি
যেহেতু এটি আউটডোর ক্যামেরা, তাই এটি রোদ, বৃষ্টি বা ধুলোবালিতে নষ্ট হবে না। এর বিল্ড কোয়ালিটি বেশ মজবুত, যা বাংলাদেশের আবহাওয়ার জন্য উপযুক্ত।
৫. এআই অটো ট্র্যাকিং ও সাইরেন
ক্যামেরাটির সামনে কোনো মানুষ আসলে এটি অটোমেটিক তাকে অনুসরণ (Auto Tracking) করতে শুরু করে। এছাড়া এতে স্মার্ট অ্যালার্ম সিস্টেম আছে—কেউ অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রবেশ করলে এটি বিকট শব্দে সাইরেন বাজাতে পারে এবং আপনার ফোনে সাথে সাথে নোটিফিকেশন পাঠাবে।
ভালো দিকগুলো (Pros):
* টু-ওয়ে অডিও: বিল্ট-ইন স্পিকার ও মাইক্রোফোন দিয়ে আপনি সরাসরি কথা বলতে পারবেন।
* ডুয়াল ভিউ: একসাথে দুটি আলাদা অ্যাঙ্গেল মনিটর করার সুবিধা।
* সাশ্রয়ী বাজেট: ৩০০০ টাকার নিচে ডুয়াল লেন্স এবং ৪এমপি ক্যামেরা পাওয়া সত্যিই লাভজনক।
* সহজ কানেক্টিভিটি: V380 PRO অ্যাপের মাধ্যমে সেটআপ করা খুব সহজ।
কিছু ছোট সমস্যা (Cons):
* পাওয়ার ব্যাকআপ: এতে কোনো ইনবিল্ট ব্যাটারি নেই, তাই কারেন্ট চলে গেলে পাওয়ার ব্যাংক বা আইপিএস সাপোর্ট লাগবে।
* স্টোরেজ: ৪এমপি ভিডিও ফাইল বড় হয়, তাই বেশিদিনের ব্যাকআপ চাইলে ভালো মানের ১২৮ জিবি এসডি কার্ড ব্যবহার করতে হবে।
আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন
আমাদের সিদ্ধান্ত: কেন কিনবেন?
আপনার যদি বাড়ির ছাদ, মেইন গেট বা গ্যারেজের জন্য এমন কোনো ক্যামেরা প্রয়োজন হয় যা চারপাশ ভালোভাবে কভার করবে, তবে MexGen V380 PRO SC02 চোখ বন্ধ করে নিতে পারেন। বিশেষ করে যারা সিসিটিভি ক্যামেরা সেট করার ঝামেলা ও খরচ এড়াতে চান, তাদের জন্য এটি বর্তমানে সেরা স্মার্ট চয়েস।
যাদের বড় রুম বা আঙিনা কভার করতে হয়, তাদের জন্য ডুয়াল লেন্সের এই ক্যামেরাটি চমৎকার। এর একটি লেন্স স্থির থাকে এবং অন্যটি চারদিকে ঘুরতে পারে, ফলে একসাথে দুটি অ্যাঙ্গেল থেকে ফুটেজ পাওয়া যায়।
এখনই অর্ডার করুন
৩. Xiaomi Mi 360° Home Security Camera
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ Xiaomi Mi 360° Home Security Camera |
শাওমির স্মার্ট হোম গেজেটের তালিকায় Mi 360° Home Security Camera (1080p) একটি লিজেন্ডারি পণ্য। যারা কোয়ালিটি এবং ব্র্যান্ড ভ্যালুকে প্রাধান্য দেন, তাদের জন্য এটি সবসময়ই তালিকার শীর্ষে থাকে। বর্তমানে দারাজে এই ক্যামেরাটি ব্যাপক জনপ্রিয়।
রিভিউ: প্রিমিয়াম সিকিউরিটি যখন হাতের মুঠোয়! Xiaomi Mi 360° Camera (1080p) কেন কিনবেন?
বাসার নিরাপত্তা বা ছোট্ট সোনামণির ওপর নজর রাখা—সবক্ষেত্রেই শাওমির এই ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরাটি এক নির্ভরযোগ্য নাম। যারা সস্তা ক্যামেরার বদলে একটি দীর্ঘস্থায়ী এবং স্মুথ পারফরম্যান্সের ক্যামেরা খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি সেরা অপশন। চলুন দেখে নিই এর বিস্তারিত ফিচার।
১. ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক ভিউ
ক্যামেরাটির নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে এটি ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরতে পারে। এর ডুয়াল মোটর হেড ড্রাইভের সাহায্যে এটি ডানে-বামে ৩৬০ ডিগ্রি এবং উপরে-নিচে ৯৬ ডিগ্রি মুভ করতে পারে। ফলে ঘরের কোনো কোণই নজরদারির বাইরে থাকে না।
২. ১০৮০পি ফুল এইচডি কোয়ালিটি
শাওমির ক্যামেরার লেন্স এবং সেন্সর অন্য সাধারণ ক্যামেরার চেয়ে অনেক উন্নত। এর 1080p Full HD ফুটেজ অত্যন্ত শার্প এবং কালারগুলো খুব ন্যাচারাল দেখায়। এর ভিডিও কম্প্রেশন টেকনোলজি (H.265) কম ডেটা ব্যবহার করেও হাই-কোয়ালিটি ভিডিও নিশ্চিত করে।
৩. উন্নত ইনফ্রারেড নাইট ভিশন
এতে আছে ৯৪০ এনএম (nm) ইনফ্রারেড ইলুমিনেটর, যা রাতের অন্ধকারে কোনো লাল আলো না জ্বালিয়েই অত্যন্ত পরিষ্কার ভিডিও দিতে পারে। এটি বাচ্চাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় না, অথচ আপনাকে দেয় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা।
৪. এআই (AI) হিউম্যান ডিটেকশন
এই ক্যামেরার অন্যতম শক্তিশালী দিক হলো এর AI Motion Detection। এটি সাধারণ কোনো বস্তুর নড়াচড়া এবং মানুষের নড়াচড়ার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে। ফলে অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন এসে আপনাকে বিরক্ত করবে না।
৫. টু-ওয়ে অডিও (Two-Way Audio)
ক্যামেরাটিতে অত্যন্ত স্বচ্ছ মাইক্রোফোন এবং স্পিকার ব্যবহার করা হয়েছে। আপনি অফিস থেকে অ্যাপের মাধ্যমে আপনার বাসার মানুষের সাথে কথা বলতে পারবেন। কথা বলার সময় কোনো নয়েজ বা ইকো হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
ভালো দিকগুলো (Pros):
* স্মুথ অ্যাপ ইন্টারফেস: Mi Home অ্যাপটি ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ এবং দ্রুত।
* ডিপ লার্নিং টেকনোলজি: ভুল অ্যালার্ম আসার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
* স্টোরেজ অপশন: মাইক্রো এসডি কার্ড ছাড়াও এটি NAS (Network Attached Storage) সাপোর্ট করে, যা ব্যাকআপের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা দেয়।
* ডিজাইন: এর মিনিমালিস্ট সাদা ডিজাইন যেকোনো ঘরের সাথে মানিয়ে যায়। এটি দেয়ালে বা ছাদে উল্টো করেও লাগানো যায় (অ্যাপে ফুটেজ সোজা করার অপশন আছে)।
কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons):
* দাম: বাজারের অন্যান্য নন-ব্র্যান্ড ক্যামেরার তুলনায় এর দাম কিছুটা বেশি।
* অ্যাডাপ্টার: অনেক সময় বক্সের সাথে অ্যাডাপ্টার থাকে না (শুধু ইউএসবি কেবল থাকে), সেক্ষেত্রে স্মার্টফোন চার্জার ব্যবহার করতে হয়।
* ইনডোর অনলি: এটি শুধুমাত্র ঘরের ভেতরে ব্যবহারের জন্য, পানি বা সরাসরি রোদ থেকে দূরে রাখতে হবে।
আজকের অফারটি দেখতে ক্লিক করুন
আমাদের সিদ্ধান্ত: এটি কি আপনার কেনা উচিত?
আপনি যদি এমন একজন হন যিনি টেকনিক্যাল ঝামেলা পছন্দ করেন না এবং দীর্ঘস্থায়ী একটি ডিভাইস চান, তবে Xiaomi Mi 360° Camera আপনার জন্য সেরা ইনভেস্টমেন্ট। ১ বছরের ওয়ারেন্টি এবং শাওমির ইকোসিস্টেমের সুবিধা এই ক্যামেরাটিকে বাজেটের সেরা প্রিমিয়াম চয়েস করে তুলেছে।
শাওমির এই ক্যামেরাটি তার ক্ল্যারিটি এবং এআই (AI) ফিচারের জন্য বিখ্যাত। এটি ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরোমিক ভিউ দিতে পারে এবং এতে নাইট ভিশন অত্যন্ত পরিষ্কার। এর অ্যাপ ইন্টারফেস খুবই ইউজার ফ্রেন্ডলি।
এখনই অর্ডার করুন
৪. TP-Link Tapo C200
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ TP-Link Tapo C200 |
টিপি-লিঙ্ক (TP-Link) এর Tapo C200C বর্তমানে হোম সিকিউরিটি ক্যামেরার জগতে একটি 'বেস্ট সেলার' মডেল। এটি মূলত জনপ্রিয় Tapo C200 এর একটি ভেরিয়েন্ট। যারা কম বাজেটে ব্র্যান্ডের নির্ভরযোগ্যতা এবং দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ পছন্দ।
রিভিউ: বাজেটের মধ্যে সেরা ব্র্যান্ডেড সিকিউরিটি! TP-Link Tapo C200C কেন এতো জনপ্রিয়?
আপনার বাসার প্রতিটি কোণে নজর রাখতে যদি একটি বিশ্বস্ত ক্যামেরার খোঁজ করেন, তবে TP-Link Tapo C200C হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ। টিপি-লিঙ্ক তাদের নেটওয়ার্কিং ডিভাইসের জন্য যেমন বিখ্যাত, তাদের এই স্মার্ট সিকিউরিটি ক্যামেরাটিও ঠিক তেমনই শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য। চলুন জেনে নিই এর বিস্তারিত।
১. ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ১০৮০পি ভিডিও
Tapo C200C আপনাকে দিচ্ছে 1080p Full HD রেজোলিউশন। এর ফুটেজ এতটাই পরিষ্কার যে আপনি ছোটখাটো ডিটেইলসও অনায়াসেই ধরতে পারবেন। দিনের আলোতে এর কালার প্রোডাকশন এবং শার্পনেস বাজারের অনেক দামী ক্যামেরাকে টেক্কা দিতে পারে।
২. ৩৬০ ডিগ্রি প্যান ও টিল্ট কন্ট্রোল
এই ক্যামেরাটি অনুভূমিকভাবে (Horizontal) ৩৬০ ডিগ্রি এবং উলম্বভাবে (Vertical) ১১৪ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘুরতে পারে। Tapo অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি আপনার ফোনের স্ক্রিন স্লাইড করেই পুরো রুমের ভিউ দেখতে পারবেন। কোনো ব্লাইন্ড স্পট বা অন্ধ কোণ রাখার সুযোগ নেই এতে।
৩. অ্যাডভান্সড নাইট ভিশন
রাতের অন্ধকারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এতে রয়েছে ৮৫০ এনএম ইনফ্রারেড নাইট ভিশন। এটি প্রায় ৩০ ফুট দূর পর্যন্ত অন্ধকার রুমেও পরিষ্কার ছবি তুলে ধরতে পারে। বাচ্চাদের নার্সারি বা রাতের বেলায় ড্রয়িং রুমের পাহারায় এটি অতুলনীয়।
৪. স্মার্ট মোশন ডিটেকশন ও ইনস্ট্যান্ট অ্যালার্ম
ক্যামেরাটি কোনো অস্বাভাবিক নড়াচড়া শনাক্ত করলে সাথে সাথে আপনার স্মার্টফোনে নোটিফিকেশন পাঠাবে। শুধু তাই নয়, এতে একটি ইন্টিগ্রেটেড অ্যালার্ম (Light & Sound Effects) রয়েছে যা অনাকাঙ্ক্ষিত আগন্তুককে ভয় দেখাতে সাহায্য করে।
৫. টু-ওয়ে অডিও ও প্রাইভেসি মোড
এতে বিল্ট-ইন মাইক্রোফোন এবং স্পিকার রয়েছে, যার মাধ্যমে আপনি পরিবার বা পোষা প্রাণীর সাথে কথা বলতে পারবেন। এছাড়া, আপনার ব্যক্তিগত মুহূর্তের নিরাপত্তার জন্য এতে রয়েছে প্রাইভেসি মোড, যা চালু করলে ক্যামেরার লেন্সটি শারীরিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
ভালো দিকগুলো (Pros):
* ব্র্যান্ড ভ্যালু: টিপি-লিঙ্ক একটি প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড, তাই এর সার্ভিস ও অ্যাপ সাপোর্ট দীর্ঘমেয়াদী।
* সহজ সেটআপ: Tapo অ্যাপের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটেই কনফিগার করা যায়।
* ১২৮ জিবি এসডি কার্ড সাপোর্ট: যা দিয়ে আপনি অনেকদিনের রেকর্ড সেভ রাখতে পারবেন।
* ক্লাউড স্টোরেজ: চাইলে বাড়তি নিরাপত্তার জন্য Tapo Care ক্লাউড সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন।
কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons):
* ইনডোর অনলি: এটি ওয়াটারপ্রুফ নয়, তাই এটি শুধুমাত্র ঘরের ভেতরে ব্যবহারের জন্য।
* ওয়াইফাই প্রয়োজনীয়তা: এটি শুধুমাত্র ২.৪ গিগাহার্জ ওয়াইফাই ব্যান্ড সাপোর্ট করে।
আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন
আমাদের সিদ্ধান্ত: কেন এটি কিনবেন?
আপনি যদি নন-ব্র্যান্ড ক্যামেরার বদলে এমন একটি ক্যামেরা চান যার ভিডিও কোয়ালিটি স্থিতিশীল এবং যার অ্যাপটি সবসময় স্মুথলি কাজ করবে, তবে Tapo C200C আপনার সেরা চয়েস। এটি সেটআপ করা সহজ এবং এর নাইট ভিশন পারফরম্যান্স এই প্রাইস রেঞ্জে অসাধারণ।
ট্যাপো সি-২০০ বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। এটি ১০৮০পি ফুল এইচডি ভিডিও কোয়ালিটি নিশ্চিত করে। এর সবথেকে বড় সুবিধা হলো এর প্রাইভেসি মোড, যা প্রয়োজন অনুযায়ী লেন্সটি ঢেকে রাখতে পারে।
এখনই অর্ডার করুন
৫. Ezviz TY1 PRO 3MP hi and security camera
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ Ezviz TY1 PRO 3MP hi and security camera |
ইজভিজ (Ezviz) বর্তমানে হাই-এন্ড সিকিউরিটি ক্যামেরার জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তাদের Ezviz TY1 PRO 3MP মডেলটি সাধারণ সিসিটিভি ক্যামেরার তুলনায় অনেক বেশি স্মার্ট এবং শক্তিশালী। আপনি যদি আপনার বাসা বা অফিসের জন্য কিছুটা প্রিমিয়াম এবং ফিচার-সমৃদ্ধ ক্যামেরা খুঁজে থাকেন, তবে এই রিভিউটি আপনার জন্য।
দারাজের বর্তমান ডিল এবং স্পেসিফিকেশন মাথায় রেখে একটি বিস্তারিত রিভিউ নিচে দেওয়া হলো:
রিভিউ: স্মার্ট নিরাপত্তার নতুন প্রো-ভার্সন! Ezviz TY1 PRO 3MP কেন সেরা ইনডোর ক্যামেরা?
ইজভিজের TY1 সিরিজের সাকসেসরের পর TY1 PRO বাজারে এসেছে আরও উন্নত সেন্সর এবং ভিডিও কোয়ালিটি নিয়ে। যারা সাধারণ ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ফুটেজে সন্তুষ্ট নন, তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ আপগ্রেড। চলুন বিস্তারিত দেখে নেওয়া যাক।
১. ৩ মেগাপিক্সেল (2K) আল্ট্রা ক্লিয়ার রেজোলিউশন
এই ক্যামেরার সবথেকে বড় শক্তি হলো এর 3MP (2K) রেজোলিউশন। সাধারণ ১০৮০পি ক্যামেরার চেয়ে এর ফুটেজ অনেক বেশি ডিটেইলড। আপনি যদি জুম করেন, তবে ছবি ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে, যা অপরাধী শনাক্তকরণে অত্যন্ত সহায়ক।
২. কালার নাইট ভিশন (Color Night Vision)
সাধারণত ইনডোর ক্যামেরাগুলো রাতে সাদা-কালো ভিডিও দেয়। কিন্তু TY1 PRO এর বিশেষত্ব হলো এর স্মার্ট কালার নাইট ভিশন। পর্যাপ্ত আলো থাকলে এটি রাতেও রঙিন ভিডিও প্রদান করতে পারে, যা আপনাকে অন্ধকারের মধ্যেও সঠিক রঙ চিনতে সাহায্য করবে।
৩. ৩৬০ ডিগ্রি প্যান ও টিল্ট ভিউ
এর স্মার্ট রোটেটিং ডিজাইনের কারণে এটি ডানে-বামে ৩৬০ ডিগ্রি এবং উপরে-নিচে ঘুরাতে পারবেন। এর কোনো "ব্লাইন্ড স্পট" নেই। এর মোশন ট্র্যাকিং ফিচারটি কোনো মানুষের নড়াচড়া শনাক্ত করলে তাকে অটোমেটিক ফলো করতে পারে।
৪. টু-ওয়ে টক ও নয়েজ ক্যান্সেলেশন
এতে উন্নত মাইক্রোফোন এবং স্পিকার ব্যবহার করা হয়েছে। এর বিশেষত্ব হলো এর Noise Cancellation প্রযুক্তি। কথা বলার সময় আশেপাশের অপ্রয়োজনীয় শব্দ ফিল্টার হয়ে যায়, ফলে একদম পরিষ্কার কথা শোনা যায়।
৫. অ্যাডভান্সড হিউম্যান শেপ ডিটেকশন
এটি শুধুমাত্র নড়াচড়া নয়, বরং মানুষের অবয়ব (Human Shape) আলাদাভাবে চিনতে পারে। ফলে গাছের পাতা নড়া বা পোষা প্রাণীর নড়াচড়ায় বারবার বিরক্তিকর নোটিফিকেশন আসবে না।
ভালো দিকগুলো (Pros):
* ২কে কোয়ালিটি: সাধারণ এইচডি ক্যামেরার চেয়ে অনেক উন্নত ইমেজ কোয়ালিটি।
* স্লিপ মোড: আপনার প্রাইভেসির জন্য অ্যাপ থেকে এক ক্লিকেই ক্যামেরা লেন্সটি ঢেকে রাখা যায় (Sleep Mode)।
* বড় স্টোরেজ সাপোর্ট: এটি ২৫৬ জিবি পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড সাপোর্ট করে, যা কয়েক সপ্তাহের রেকর্ডিং জমা রাখতে পারে।
* মজবুত বিল্ড কোয়ালিটি: ইজভিজের বডি ম্যাটেরিয়াল বেশ প্রিমিয়াম এবং দীর্ঘস্থায়ী।
কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons):
* দাম: শাওমি বা টিপি-লিঙ্কের বেসিক মডেলের চেয়ে এর দাম কিছুটা বেশি।
* ইন্টারনেট স্পিড: ২কে ভিডিও লাইভ দেখার জন্য আপনার ওয়াইফাই কানেকশন কিছুটা শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।
আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন
আমাদের সিদ্ধান্ত: এটি কি আপনার কেনা উচিত?
আপনি যদি এমন একজন হন যিনি ভিডিওর স্বচ্ছতা (Clarity) এবং উন্নত সেন্সরকে প্রাধান্য দেন, তবে Ezviz TY1 PRO 3MP আপনার জন্য সেরা চয়েস। বিশেষ করে দোকান বা অফিসের ক্যাশ কাউন্টার যেখানে টাকার নোট পরিষ্কার দেখা প্রয়োজন, সেখানে এই ক্যামেরাটি চমৎকার কাজ করবে।
এই ক্যামেরাটির বিশেষত্ব হলো এর অটো ট্র্যাকিং সুবিধা। ক্যামেরার সামনে দিয়ে কেউ হেঁটে গেলে ক্যামেরাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাকে অনুসরণ করে ঘুরতে থাকে। এটি দোকানের নিরাপত্তার জন্য দারুণ একটি ডিভাইস।
এখনই অর্ডার করুন
৬. Bulb Shape WiFi Camera (E27 base)
![]() |
| অর্ডার করুন - daraz Bulb Shape WiFi Camera (E27 base) |
দারাজে বর্তমানে এই V380 Pro Dual Lens Bulb Camera টি দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সাধারণ বাল্ব ক্যামেরার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে এতে যুক্ত করা হয়েছে ডুয়াল লেন্স প্রযুক্তি, যা নিরাপত্তার সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছে। বর্তমানে এটি ৳১,৫০০ থেকে ৳১,৮০০ টাকার আশেপাশে পাওয়া যাচ্ছে।
রিভিউ: এক বাল্বেই ডাবল নিরাপত্তা! V380 Pro ডুয়াল লেন্স বাল্ব ক্যামেরা কি আসলেও সেরা?
বাসার সাধারণ লাইটের হোল্ডারে একটি বাল্ব লাগিয়ে যদি পুরো রুমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তবে কেমন হয়? V380 Pro Dual Lens Bulb Camera ঠিক এই কাজটিই করে। তবে এর বিশেষত্ব হলো, এতে একটির বদলে দুটি লেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। চলুন জেনে নিই এই বাজেটে এটি কেন সেরা ডিল।
১. ডুয়াল লেন্স প্রযুক্তি (সবথেকে বড় প্লাস পয়েন্ট)
এই ক্যামেরার উপরের অংশে একটি ফিক্সড লেন্স থাকে যা একটি নির্দিষ্ট দিকে নজর রাখে, আর নিচের লেন্সটি আপনি অ্যাপ দিয়ে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরাতে পারেন। এর ফলে আপনার রুমে কোনো "ব্লাইন্ড স্পট" বা অন্ধ কোণ থাকে না। এক ক্যামেরার দামেই আপনি মূলত দুটি ক্যামেরার সুবিধা পাচ্ছেন।
২. ইন্সটলেশন যখন পানির মতো সহজ
এই ক্যামেরা সেটআপ করতে কোনো টেকনিশিয়ান বা দেয়াল ছিদ্র করার প্রয়োজন নেই। আপনার বাসার সাধারণ E27 প্যাঁচের হোল্ডারে এটি বাল্বের মতো লাগিয়ে দিলেই পাওয়ার পেয়ে যাবে। এরপর মোবাইলে V380 Pro অ্যাপটি নামিয়ে ওয়াইফাই দিয়ে কানেক্ট করলেই লাইভ ফুটেজ দেখা শুরু করা যায়।
৩. ফুল কালার নাইট ভিশন
অধিকাংশ সস্তা ক্যামেরা রাতে ঝাপসা সাদা-কালো ভিডিও দেয়। কিন্তু এতে শক্তিশালী White LEDs রয়েছে। রাতে নড়াচড়া শনাক্ত করলে লাইটগুলো জ্বলে ওঠে, ফলে আপনি একদম রঙিন (Color) ভিডিও দেখতে পান। এটি অন্ধকারে চোর বা আগন্তুককে ভয় দেখানোর জন্যও কার্যকর।
৪. অটো ট্র্যাকিং ও টু-ওয়ে টক
এতে আছে Smart Auto Tracking ফিচার। ক্যামেরার সামনে কেউ হাঁটলে লেন্সটি তাকে অনুসরণ করে ঘুরতে থাকে। এছাড়া বিল্ট-ইন স্পিকার ও মাইক্রোফোন থাকায় আপনি অফিস থেকে আপনার বাচ্চার সাথে বা দরজায় থাকা ব্যক্তির সাথে কথা বলতে পারবেন।
৫. সাশ্রয়ী স্টোরেজ ও ক্লাউড
ক্যামেরাটি ১২৮ জিবি পর্যন্ত এসডি কার্ড সাপোর্ট করে। এছাড়া আপনি চাইলে বাড়তি নিরাপত্তার জন্য V380 ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহার করতে পারেন, যাতে মেমোরি কার্ড চুরি হলেও আপনার ফুটেজ নিরাপদ থাকে।
ভালো দিকগুলো (Pros):
* সহজ সেটআপ: যেকোনো হোল্ডারে সেট করা যায়।
* ডুয়াল ভিউ: একসাথে দুটি আলাদা অ্যাঙ্গেল মনিটর করার সুবিধা।
* দাম: ফিচারের তুলনায় এর দাম খুবই সাশ্রয়ী।
* অ্যালার্ম সিস্টেম: সন্দেহজনক কিছু দেখলে ফোনে নোটিফিকেশন পাঠায়।
কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons):
* ইন্টারনেট নির্ভর: অ্যাপ দিয়ে দেখার জন্য স্থিতিশীল ওয়াইফাই প্রয়োজন।
* প্লাস্টিক বিল্ড: যেহেতু এটি সাশ্রয়ী মডেল, তাই এর বডি কিছুটা হালকা প্লাস্টিকের।
* ইনডোর ব্যবহার: এটি সরাসরি রোদ বা বৃষ্টির জন্য নয়, ঘরের ভেতরে বা বারান্দায় ব্যবহার করা ভালো।
আমাদের সিদ্ধান্ত: কেন কিনবেন?
আপনার যদি বাজেট কম থাকে কিন্তু আপনি সর্বোচ্চ ফিচার চান, তবে V380 Pro Dual Lens Bulb Camera টি আপনার জন্য সেরা অপশন। বিশেষ করে ছোট দোকান, ড্রয়িং রুম বা গ্যারেজের জন্য এটি একটি চমৎকার ভ্যালু-ফর-মানি প্রোডাক্ট।
আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন
দেখতে হুবহু একটি এলইডি বাল্বের মতো। সাধারণ বাল্বের হোল্ডারে এটি সেট করা যায়। আলাদা কোনো পাওয়ার অ্যাডাপ্টারের ঝামেলা নেই। দূর থেকে দেখলে কেউ বুঝতেই পারবে না যে এটি একটি সিকিউরিটি ক্যামেরা।
এখনই অর্ডার করুন
৭. Simulation Solar Fake Camera
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ Simulation Solar Fake Camera |
আপনি যদি খুব অল্প খরচে আপনার বাসা বা দোকানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান এবং চোর বা অনাকাঙ্ক্ষিত আগন্তুককে মানসিকভাবে ভয় দেখাতে চান, তবে এই Simulation Solar Fake Camera একটি দুর্দান্ত সমাধান। বর্তমান বাজারে এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং জনপ্রিয় একটি পণ্য।
রিভিউ: চোর ঠেকানোর সস্তা ও কার্যকর কৌশল! Simulation Solar Fake Camera কি আসলেও কাজ করে?
নিরাপত্তা মানেই যে হাজার হাজার টাকার সিসিটিভি ক্যামেরা সেটআপ করতে হবে, তা কিন্তু নয়। অনেক সময় একটি "সতর্কবার্তা" বা "ক্যামেরার উপস্থিতি" বড় ধরনের অপরাধ ঠেকিয়ে দিতে পারে। Simulation Solar Fake Camera ঠিক এই কনসেপ্টেই তৈরি। এটি একটি ডামি বা নকল ক্যামেরা, যা দেখতে হুবহু আসল প্রফেশনাল ক্যামেরার মতো।
১. দেখতে একদম আসলের মতো (Realistic Design)
এই ডামি ক্যামেরাটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে দূর থেকে দেখে বোঝার কোনো উপায় নেই এটি নকল। এর লেন্সের গঠন, বাইরের কেসিং এবং মাউন্টিং ব্র্যাকেট হুবহু আসল আউটডোর ক্যামেরার মতো। ফলে যে কেউ প্রথম দেখায় এটিকে আসল মনে করে সতর্ক হয়ে যাবে।
২. সোলার প্যানেল ও ফ্ল্যাশিং এলইডি (LED Light)
এই ফেক ক্যামেরাটির সবথেকে বড় সুবিধা হলো এতে একটি ছোট সোলার প্যানেল রয়েছে। দিনের বেলা সূর্যের আলোয় এটি চার্জ হয় এবং সামনের লাল এলইডি লাইটটি অবিরাম জ্বলতে-নিভতে (Flashing) থাকে। এই লাল বাতিটি দেখে অপরাধীরা মনে করে ক্যামেরাটি সক্রিয়ভাবে রেকর্ড করছে।
৩. কোনো তারের ঝামেলা নেই (Wireless Installation)
যেহেতু এটি আসল ক্যামেরা নয়, তাই এতে কোনো ভিডিও ক্যাবল বা পাওয়ার লাইনের প্রয়োজন পড়ে না। ২-৩টি স্ক্রু দিয়ে যেকোনো দেয়ালে বা ছাদের নিচে এটি সহজেই মাউন্ট করা যায়। যারা ড্রিলিং বা ওয়্যারিংয়ের ঝামেলা এড়াতে চান, তাদের জন্য এটি সেরা।
৪. ওয়াটারপ্রুফ এবং টেকসই
এটি মূলত বাইরের (Outdoor) জন্য তৈরি। এর বডি রোদ এবং বৃষ্টির ঝাপটা সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। তাই এটি আপনার বাড়ির গেট, গ্যারেজ বা দেওয়ালের বাইরে নিশ্চিন্তে বসিয়ে রাখতে পারেন।
৫. ব্যাটারি ব্যাকআপ
দিনের বেলা সোলার প্যানেল কাজ করলেও, রাতের বেলা বা মেঘলা দিনে এলইডি লাইটটি সচল রাখতে এতে ২টি রিচার্জেবল ব্যাটারি ব্যবহার করা যায়। ফলে ২৪ ঘণ্টা এটি "রেকর্ডিং মোডে" আছে বলে মনে হয়।
কেন এই ডামি ক্যামেরাটি কিনবেন? (Pros)
* খুবই কম দাম: আসল সিসিটিভি ক্যামেরার তুলনায় এর দাম ১০ ভাগের ১ ভাগ।
* মানসিক সুরক্ষা: চোর বা বহিরাগতরা ক্যামেরার উপস্থিতি দেখলে অপরাধ করতে দ্বিধাবোধ করে।
* বড় এলাকা কাভারেজ: আপনি চাইলে কিছু আসল ক্যামেরার সাথে কয়েকটি ডামি ক্যামেরা মিশিয়ে লাগিয়ে পুরো এলাকা পাহারায় আছে এমন ধারণা দিতে পারেন।
* মেইনটেইনেন্স ফ্রি: ক্যামেরা সেটআপ করার পর আর কোনো খরচ নেই।
কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons)
* রেকর্ডিং হয় না: মনে রাখবেন, এটি কোনো ভিডিও বা অডিও রেকর্ড করে না।
* কাছ থেকে শনাক্তযোগ্য: কেউ যদি একদম কাছে এসে খুব সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা করে, তবে এটি নকল বলে ধরা পড়ার সামান্য সম্ভাবনা থাকে।
আমাদের সিদ্ধান্ত: কেন এটি আপনার কেনা উচিত?
যাদের সিসিটিভি ক্যামেরা কেনার বাজেট নেই কিন্তু নিরাপত্তার জন্য কিছু একটা করা প্রয়োজন, তাদের জন্য এই Simulation Solar Fake Camera একটি চমৎকার বুদ্ধিদীপ্ত বিনিয়োগ। এটি একটি শক্তিশালী "Psychological Deterrent" বা মানসিক বাধা হিসেবে কাজ করে যা আপনার সম্পদকে নিরাপদ রাখতে সাহায্য করতে পারে।
আজকের অফার জানতে ক্লিক করুন
যাদের বাড়ির বাইরে বা এমন জায়গায় ক্যামেরা লাগানো দরকার যেখানে বিদ্যুতের লাইন নেই, তাদের জন্য সোলার ক্যামেরা সেরা সমাধান। এটি দিনের বেলা সূর্যের আলোয় চার্জ হয় এবং রাতে ব্যাকআপ দেয়। এটি সম্পূর্ণ ওয়াটারপ্রুফ।
এখনই অর্ডার করুন
৮. White Bullet 2MP Camera
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ White Bullet 2MP Camera |
দারাজে বর্তমানে যারা গতানুগতিক Analog বা HD CCTV সিস্টেম ব্যবহার করছেন, তাদের জন্য এই White Bullet 2MP Camera একটি সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য সমাধান। যারা মূলত DVR/XVR সিস্টেমের জন্য অতিরিক্ত ক্যামেরা খুঁজছেন, তাদের জন্য এই রিভিউটি সহায়ক হবে।
রিভিউ: সাশ্রয়ী বাজেটে মজবুত নিরাপত্তা! ২ মেগাপিক্সেল হোয়াইট বুলেট ক্যামেরা কি আপনার XVR-এর জন্য সঠিক?
আপনি যদি অলরেডি একটি সিসিটিভি সিস্টেম ব্যবহার করে থাকেন এবং আপনার গ্যারেজ, বারান্দা বা গেটের জন্য বাড়তি একটি ক্যামেরা লাগানোর কথা ভাবছেন, তবে White Bullet 2MP Camera হতে পারে আপনার জন্য সেরা বাজেট-ফ্রেন্ডলি অপশন। চলুন জেনে নিই কেন এটি সাধারণ ব্যবহারের জন্য জনপ্রিয়।
১. সার্বজনীন সামঞ্জস্য (Universal Compatibility)
এই ক্যামেরাটির সবথেকে বড় সুবিধা হলো এটি All XVR সাপোর্ট করে। অর্থাৎ আপনার কাছে Dahua, Hikvision বা CP Plus—যে ব্র্যান্ডেরই XVR থাকুক না কেন, এটি সবগুলোর সাথেই অনায়াসে কাজ করবে। এর ৪-ইন-১ ভিডিও আউটপুট মোড একে অত্যন্ত ফ্লেক্সিবল করে তুলেছে।
২. ২ মেগাপিক্সেল ফুল এইচডি ফুটেজ
এতে আছে 1080p Full HD রেজোলিউশন। দিনের আলোতে এটি যথেষ্ট পরিষ্কার ভিডিও প্রদান করে, যা দিয়ে মানুষ বা বস্তুর মুভমেন্ট পরিষ্কার বোঝা যায়। সাধারণ বাসা, ছোট দোকান বা পার্কিং জোনের নজরদারির জন্য ২ মেগাপিক্সেল রেজোলিউশন একদম আদর্শ।
৩. মজবুত বুলেট ডিজাইন (Build Quality)
বুলেট ক্যামেরাগুলো সাধারণত আউটডোরে ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়। এর হোয়াইট মেটাল বা হার্ড প্লাস্টিক বডি রোদ এবং ধুলোবালি সহ্য করতে পারে। দেয়ালের উঁচুতে সেট করলে এটি দূর থেকে অপরাধীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবেও কাজ করে।
৪. ইনফ্রারেড নাইট ভিশন (Night Vision)
রাত বা অন্ধকার পরিবেশের নিরাপত্তার জন্য এতে রয়েছে IR (Infrared) সেন্সর। আলোর স্বল্পতা থাকলেও এটি প্রায় ২০-৩০ মিটার পর্যন্ত সাদা-কালো ভিডিও পরিষ্কারভাবে দেখাতে পারে। এটি রাতেও আপনার আঙিনাকে অন্ধকারের হাত থেকে নিরাপদ রাখে।
৫. সহজ কানেক্টিভিটি
এটি একটি এনালগ এইচডি ক্যামেরা, তাই এটি সেটআপ করতে সাধারণ কো-এক্সিয়াল ক্যাবল এবং BNC কানেক্টর প্রয়োজন। যারা জটিল ওয়াইফাই সেটআপের ঝামেলায় যেতে চান না, তাদের জন্য এটি প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে সলিউশন।
ভালো দিকগুলো (Pros):
* অত্যন্ত সাশ্রয়ী: খুব কম দামে ২ মেগাপিক্সেল এইচডি কোয়ালিটি পাওয়া যায়।
* সব XVR-এ সাপোর্ট: ব্র্যান্ড নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।
* সহজ মেরামত: এনালগ সিস্টেম হওয়ার কারণে ক্যাবল বা কানেক্টর নষ্ট হলে খুব সহজে ঠিক করা যায়।
* দীর্ঘস্থায়ী: স্মার্ট আইপি ক্যামেরার চেয়ে এনালগ বুলেট ক্যামেরাগুলো দীর্ঘ সময় সার্ভিস দেয়।
কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons):
* অডিও নেই: এই মডেলে সাধারণত ইন-বিল্ট মাইক্রোফোন থাকে না, তাই শব্দ রেকর্ড হবে না।
* ওয়াইফাই নেই: এটি ব্যবহারের জন্য আপনার অবশ্যই একটি DVR বা XVR থাকতে হবে।
* আলাদা ক্যাবলিং: এটি ব্যবহারের জন্য আলাদাভাবে তার টানতে হবে।
আমাদের সিদ্ধান্ত: কেন কিনবেন?
আপনার যদি অলরেডি একটি সিসিটিভি ক্যাবল সেটআপ এবং XVR থাকে এবং আপনি কম খরচে একটি ব্যাকআপ বা নতুন পয়েন্ট কভার করতে চান, তবে এই 2MP White Bullet Camera চোখ বন্ধ করে নিতে পারেন। এটি যেমন টেকসই, তেমনি এর ইমেজ কোয়ালিটি সাধারণ নজরদারির জন্য যথেষ্ট।
আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন
পেশাদার নিরাপত্তার জন্য হিকভিশন এক আস্থার নাম। এই কিউব ক্যামেরাটি সাধারণত ছোট অফিস বা ক্যাশ কাউন্টারের ওপর রাখার জন্য পারফেক্ট। এতে এসডি কার্ডের পাশাপাশি ক্লাউড স্টোরেজের সুবিধাও পাওয়া যায়।
এখনই অর্ডার করুন
৯. Imou Ranger 2 Pro 3MP
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ Imou Ranger 2 Pro 3MP |
ইমো (Imou) ব্র্যান্ডের Ranger 2 Pro 3MP মডেলটি বর্তমানে স্মার্ট ইনডোর সিকিউরিটি ক্যামেরার জগতে একটি প্রিমিয়াম অপশন। সাধারণ Ranger 2 এর তুলনায় এর 'Pro' ভার্সনটি আরও উন্নত ইমেজ সেন্সর এবং ফিচার নিয়ে এসেছে। আপনি যদি বাসা বা অফিসের জন্য নিখুঁত এবং স্মার্ট কোনো সলিউশন খুঁজছেন, তবে এই রিভিউটি আপনার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।
দারাজের বর্তমান ট্রেন্ড অনুযায়ী এর একটি বিস্তারিত রিভিউ নিচে দেওয়া হলো:
রিভিউ: স্মার্ট নিরাপত্তার প্রো-লেভেল সলিউশন! Imou Ranger 2 Pro 3MP কেন সেরা ইনডোর ক্যামেরা?
ইমো (Imou) মূলত বিশ্বখ্যাত সিকিউরিটি ব্র্যান্ড Dahua-এর একটি সাব-ব্র্যান্ড। তাদের Ranger 2 Pro মডেলটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা আপনার ঘরকে শুধু পাহারা দেয় না, বরং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনার জীবনকে সহজ করে তোলে। চলুন দেখে নিই এর বিশেষত্বগুলো।
১. ৩ মেগাপিক্সেল (2K) সুপার ক্লিয়ার ফুটেজ
এই ক্যামেরার প্রধান আকর্ষণ হলো এর 3MP রেজোলিউশন। সাধারণ ১০৮০পি (2MP) ক্যামেরার চেয়ে এর ফুটেজ অনেক বেশি ডিটেইলড এবং কালারগুলো প্রাণবন্ত। আপনি যদি ভিডিও জুম করেন, তবে পিক্সেল ফেটে যাওয়ার ভয় কম থাকে, যা যেকোনো ছোটখাটো ডিটেইলস শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
২. ৩৬০ ডিগ্রি প্যান ও টিল্ট (Pan-Tilt)
স্মার্টফোন অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি ক্যামেরাটিকে ডানে-বামে ৩৬০ ডিগ্রি এবং উপরে-নিচে ঘুরাতে পারবেন। এর ফলে পুরো রুমে কোনো 'ব্লাইন্ড স্পট' বা অন্ধ কোণ থাকে না। আপনি অফিসের চেয়ারে বসেও আপনার বেডরুম বা ড্রয়িং রুমের প্রতিটি কোণা চেক করতে পারবেন।
৩. স্মার্ট হিউম্যান ডিটেকশন ও অটো ট্র্যাকিং
এতে আছে শক্তিশালী AI Human Detection প্রযুক্তি। এটি শুধুমাত্র নড়াচড়া নয়, বরং মানুষের অবয়ব আলাদাভাবে চিনতে পারে। ফলে কোনো মানুষ শনাক্ত হলে এটি সাথে সাথে তাকে অনুসরণ (Smart Tracking) করতে শুরু করে এবং আপনার ফোনে এলার্ট পাঠিয়ে দেয়।
৪. কালার নাইট ভিশন ও টু-ওয়ে টক
অনেক ইনডোর ক্যামেরা রাতে ঝাপসা হয়ে যায়, কিন্তু Ranger 2 Pro তে উন্নত সেন্সর থাকায় এটি স্বল্প আলোতেও চমৎকার ডিটেইলস দেয়। এছাড়া এতে থাকা বিল্ট-ইন স্পিকার ও মাইক্রোফোন দিয়ে আপনি সরাসরি কথা বলতে পারবেন (Two-way Talk), যা বাচ্চার সাথে বা পোষা প্রাণীর সাথে যোগাযোগের জন্য দারুণ।
৫. প্রাইভেসী মোড (Privacy Mode)
আপনার ব্যক্তিগত মুহূর্তের সুরক্ষায় এতে রয়েছে ওয়ান-ট্যাপ Privacy Masking। অ্যাপে একটি ক্লিক করলেই ক্যামেরার লেন্সটি শারীরিকভাবে নিচে নেমে যায় এবং ঢাকা পড়ে যায়। ফলে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনার একান্ত ব্যক্তিগত সময়ে ক্যামেরাটি কোনো রেকর্ড করছে না।
ভালো দিকগুলো (Pros):
* ২কে কোয়ালিটি: সাধারণ এইচডি ক্যামেরার চেয়ে অনেক উন্নত ইমেজ শার্পনেস।
* অ্যাবনরমাল সাউন্ড ডিটেকশন: বাচ্চার কান্না বা কাঁচ ভাঙার মতো অস্বাভাবিক শব্দ শুনলে এটি সাথে সাথে এলার্ট পাঠায়।
* মাল্টি স্টোরেজ: এসডি কার্ড (২৫৬ জিবি পর্যন্ত), এনভিআর (NVR) এবং ক্লাউড স্টোরেজ—সব অপশনই আছে।
* মজবুত বিল্ড: এর ফিনিশিং এবং বডি ম্যাটেরিয়াল খুবই প্রিমিয়াম।
কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons):
* দাম: শাওমি বা সাধারণ ইমো মডেলের চেয়ে এর দাম কিছুটা বেশি।
* ইনডোর অনলি: এটি ওয়াটারপ্রুফ নয়, তাই এটি শুধুমাত্র ইনডোরে ব্যবহারের জন্য।
আমাদের সিদ্ধান্ত: এটি কি আপনার কেনা উচিত?
আপনি যদি বাজেটের চেয়ে কোয়ালিটিকে বেশি গুরুত্ব দেন এবং এমন একটি ক্যামেরা চান যা দেখতে স্টাইলিশ এবং পারফরম্যান্সে প্রো, তবে Imou Ranger 2 Pro 3MP আপনার জন্য সেরা চয়েস। বিশেষ করে নতুন বাবা-মায়েদের জন্য এর 'সাউন্ড ডিটেকশন' ফিচারটি একে একটি সেরা বেবি মনিটর হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন
আইমো রেঞ্জার ২সি মূলত হিউম্যান ডিটেকশন এবং সাইরেন ফিচারের জন্য জনপ্রিয়। বাসার ভেতর অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ প্রবেশ করলে এটি বিকট শব্দে সাইরেন বাজাতে পারে, যা চোর তাড়াতে সাহায্য করে।
এখনই অর্ডার করুন
১০. V380 WiFi IP Camera
![]() |
| অর্ডার করুন - daraz V380 WiFi IP Camera |
দারাজের জনপ্রিয় V380 WiFi IP Camera টি নিয়ে একটি বিস্তারিত রিভিউ নিচে দেওয়া হলো। এই ক্যামেরাটি সাধারণত যারা একদম প্রাথমিক বাজেটে (Entry-level) ঘরের ভেতরে নজরদারি করতে চান, তাদের জন্য সবথেকে জনপ্রিয় চয়েস।
রিভিউ: সাশ্রয়ী বাজেটে ৩৬০ ডিগ্রি নিরাপত্তা! V380 WiFi IP Camera কি আপনার জন্য সঠিক?
আপনি যদি আপনার বাসা, অফিস বা ছোট দোকানের জন্য খুব কম খরচে একটি স্মার্ট সিকিউরিটি ক্যামেরা খুঁজছেন, তবে V380 WiFi IP Camera হতে পারে একটি কার্যকর সমাধান। বর্তমান বাজারে এটি তার সহজ ব্যবহার পদ্ধতি এবং কম দামের জন্য পরিচিত। চলুন দেখে নিই এই ক্যামেরাটি থেকে আপনি কী কী সুবিধা পাবেন।
১. ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক ভিউ
এই ক্যামেরাটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর নমনীয়তা। আপনি স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে ক্যামেরাটিকে ডানে-বামে ৩৬০ ডিগ্রি এবং উপরে-নিচে ঘুরাতে পারবেন। এর ফলে ঘরের যেকোনো কোণে নজর রাখা সহজ হয় এবং কোনো বিশেষ দিক আপনার নজরদারির বাইরে থাকে না।
২. ওয়ারলেস ও আইপি ওয়েবক্যাম সুবিধা
এতে কোনো তারের ঝামেলা নেই (ওয়্যারলেস)। এটি সরাসরি আপনার বাসার ওয়াইফাইয়ের সাথে কানেক্ট হয়ে যায়। এছাড়া এতে আইপি ওয়েবক্যাম ক্যাপাবিলিটি থাকায় আপনি বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আপনার স্মার্টফোন বা পিসির মাধ্যমে লাইভ ফুটেজ দেখতে পারবেন।
৩. টু-ওয়ে অডিও (Two-way Talk)
ক্যামেরাটিতে বিল্ট-ইন মাইক্রোফোন এবং স্পিকার রয়েছে। এর মাধ্যমে আপনি শুধু ক্যামেরার ওপারের কথা শুনবেনই না, বরং স্মার্টফোন থেকে কথা বলে ওপারের মানুষকে শোনাতেও পারবেন। এটি বাচ্চাদের বা বয়স্কদের দেখাশোনার জন্য বেশ কার্যকর।
৪. মোশন ডিটেকশন ও অ্যালার্ট
ক্যামেরার সামনে কোনো অস্বাভাবিক নড়াচড়া শনাক্ত হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ফোনে নোটিফিকেশন পাঠাতে পারে। নিরাপত্তার জন্য এটি একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ফিচার, যা আপনাকে তাৎক্ষণিক সতর্ক করে দেয়।
৫. নাইট ভিশন ও মেমোরি সাপোর্ট
রাতের অন্ধকারের জন্য এতে রয়েছে ইনফ্রারেড নাইট ভিশন। ফুটেজগুলো সেভ করে রাখার জন্য এতে মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট রয়েছে, যা সাধারণত ৬৪ জিবি পর্যন্ত মেমোরি কার্ড সাপোর্ট করে।
ভালো দিকগুলো (Pros):
* অত্যন্ত সাশ্রয়ী: বাজেটের মধ্যে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায়।
* সহজ সেটআপ: V380 Pro অ্যাপের মাধ্যমে খুব দ্রুত কনফিগার করা সম্ভব।
* ভার্সাটাইল ব্যবহার: এটি টেবিলের ওপর রাখা যায় আবার দেওয়ালেও মাউন্ট করা যায়।
* কম্প্যাক্ট সাইজ: ছোট হওয়ায় এটি ঘরের সৌন্দর্য নষ্ট করে না।
কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons):
* ভিডিও কোয়ালিটি: দামী ব্র্যান্ডের (যেমন শাওমি বা ইমো) তুলনায় এর ভিডিওর শার্পনেস কিছুটা কম হতে পারে।
* বিল্ড কোয়ালিটি: বডি ম্যাটেরিয়াল কিছুটা হালকা প্লাস্টিকের।
* ওয়াইফাই নির্ভরতা: শক্তিশালী ওয়াইফাই সিগন্যাল ছাড়া লাইভ ভিউতে কিছুটা ল্যাগ বা দেরি হতে পারে।
আমাদের সিদ্ধান্ত: কেন কিনবেন?
আপনি যদি দামী সিস্টেমের পেছনে টাকা খরচ না করে সাধারণ সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে চান, তবে V380 WiFi IP Camera একটি আদর্শ পছন্দ। এটি মূলত ইনডোর ব্যবহারের জন্য সেরা। ছোট দোকান বা বাড়ির ড্রয়িং রুম পাহারায় এটি আপনাকে দারুণ ভ্যালু প্রদান করবে।
আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন
নিরাপত্তা শুরু হোক সদর দরজা থেকে। এই ডোরবেল ক্যামেরার মাধ্যমে দরজায় কে নক করছে তা আপনি আপনার ফোনে দেখতে পাবেন এবং কথা বলতে পারবেন। এতে থাকা নাইট ভিশন সেন্সর রাতেও আগন্তুকের পরিষ্কার ছবি তোলে।
এখনই অর্ডার করুন
আইপি ক্যামেরা কেনার আগে যা খেয়াল রাখবেন
১. ভিডিও রেজোলিউশন: অন্তত ১০৮০পি বা এইচডি রেজোলিউশন বেছে নিন।
২. নাইট ভিশন: অন্ধকারে ছবি কতটা পরিষ্কার দেখা যায় তা যাচাই করে নিন।
৩. স্টোরেজ: ক্যামেরাটি কত জিবি মেমোরি কার্ড সাপোর্ট করে তা দেখা জরুরি।
৪. ওয়াইফাই কানেক্টিভিটি: সিগন্যাল রিসিভ করার ক্ষমতা ভালো কি না তা দেখে নিন।
শেষ কথা
নিরাপত্তা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং প্রয়োজন। আপনার বাজেট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী উপরের যেকোনো একটি ক্যামেরা বেছে নিতে পারেন। মনে রাখবেন, একটি সঠিক সিদ্ধান্ত আপনার পরিবারকে বড় কোনো দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারে।












