- Get link
- X
- Other Apps
Electronic Cleaning Kit Review Daraz Smart Products 8
1. RAISA 7-in-1 ইলেকট্রনিক্স ক্লিনিং কিট রিভিউ
আপনার গ্যাজেটগুলো (যেমন: কিবোর্ড, ইয়ারফোন, ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন) পরিষ্কার রাখার জন্য এই ৭-ইন-১ কিটটি বর্তমান সময়ে বেশ জনপ্রিয় এবং বাজেট-ফ্রেন্ডলি একটি সমাধান।
প্যাকেজে কী কী থাকছে? (৭টি টুলস)
১. বড় হাই-ডেনসিটি ব্রাশ: কিবোর্ডের ফাঁকফোকর বা ল্যাপটপের ধুলো পরিষ্কারের জন্য।২. ফ্লকিং স্পঞ্জ: ইয়ারফোনের কেসের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করার জন্য।
৩. সিলিকন নিব (Pen Nib): ইয়ারবাডসের জেদি ময়লা বা কোণা পরিষ্কারের জন্য।
৪. ছোট ব্রাশ: ইয়ারফোনের স্পিকার বা ছোট ছিদ্র পরিষ্কার করার জন্য।
৫. কি-ক্যাপ পুলার (Keycap Puller): মেকানিক্যাল কিবোর্ডের বাটন খোলার জন্য।
৬. স্প্রে বোতল (খালি): এতে স্ক্রিন ক্লিনার লিকুইড ভরে স্ক্রিন মোছার জন্য ব্যবহার করা যায়।
৭. ফাইবার ফ্লিস সোয়াইপ (Fiber Fleece): ডিভাইসের পেছনের অংশে থাকা কাপড়টি দিয়ে মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিন মোছা যায়।
ইতিবাচক দিক (Pros):
* পোর্টেবল ডিজাইন: এটি আকারে একটি পাওয়ার ব্যাংকের চেয়েও ছোট, ফলে সহজেই ব্যাগে বা পকেটে বহন করা যায়।* অল-ইন-ওয়ান: আলাদা করে ইয়ারফোন ক্লিনার বা কিবোর্ড ব্রাশ কেনার প্রয়োজন পড়ে না। একটি টুল বক্সেই সব আছে।
* বাজেট ফ্রেন্ডলি: দারাজে সাধারণত ২০০-২৫০ টাকার মধ্যে এটি পাওয়া যায়, যা এর ফিচারের তুলনায় বেশ সাশ্রয়ী।
* সহজ ব্যবহার: কি-ক্যাপ পুলার দিয়ে ল্যাপটপ বা পিসি কিবোর্ড পরিষ্কার করা অনেক সহজ হয়ে যায়।
নেতিবাচক দিক (Cons):
* বিল্ড কোয়ালিটি: যেহেতু এটি প্লাস্টিকের তৈরি, তাই খুব বেশি শক্তভাবে ব্যবহার করলে বা হাত থেকে পড়লে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।* স্প্রে লিকুইড: সাধারণত স্প্রে বোতলটি খালি থাকে, আপনাকে আলাদা করে ক্লিনিং লিকুইড কিনে নিতে হবে।
কেন কিনবেন?
আপনি যদি নিয়মিত ল্যাপটপ বা মেকানিক্যাল কিবোর্ড ব্যবহার করেন এবং আপনার ইয়ারবাডসগুলোতে ধুলোবালি জমে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন, তবে এটি আপনার জন্য একটি মাস্ট-হ্যাভ (Must-have) গ্যাজেট। বিশেষ করে যারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি দারুণ উপহারও হতে পারে।টিপস: ব্যবহারের পর ব্রাশগুলো হালকা করে ঝেড়ে রাখবেন এবং স্ক্রিন মোছার কাপড়টি ময়লা হয়ে গেলে হালকা সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে আবার ব্যবহার করতে পারবেন।
এখনই অর্ডার করুন
2. ৭-ইন-১ মাল্টিফাংশনাল ক্লিনিং কিটটি (7-in-1 Touch Screen & Keyboard Cleaning Kit)
৭-ইন-১ মাল্টিফাংশনাল ক্লিনিং কিট রিভিউ
এটি বর্তমানে টেক-লাভারদের কাছে একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় গ্যাজেট। এই কিটটি মূলত আপনার ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, মেকানিক্যাল কিবোর্ড এবং ওয়্যারলেস ইয়ারবাডস (যেমন- AirPods) পরিষ্কার করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
১. প্যাকেজে কী কী টুলস থাকছে?
* বড় ব্রাশ (Large Brush): কিবোর্ড এবং বড় সারফেসের ধুলো ঝাড়ার জন্য।* ইয়ারবাড ক্লিনিং পেন: এর মাথায় একটি সিলিকন নিব (সুইয়ের মতো) থাকে যা কানের ময়লা পরিষ্কার করে এবং একটি ছোট নরম ব্রাশ থাকে।
* ফ্লকিং স্পঞ্জ (Flocking Sponge): ইয়ারফোনের কেসিং বা চার্জিং বক্সের ভেতরটা পরিষ্কার করার জন্য লম্বা স্পঞ্জ।
* কি-ক্যাপ পুলার (Keycap Puller): মেকানিক্যাল কিবোর্ডের বাটনগুলো সহজে খোলার জন্য।
* স্ক্রিন ক্লিনার স্প্রে বোতল: এতে লিকুইড ভরে ফোনের স্ক্রিনে স্প্রে করা যায় (সাধারণত বোতলটি খালি থাকে)।
* ফাইবার ক্লিনিং ক্লথ (Fleece Design): পুরো বক্সের একপাশে লিন্ট-ফ্রি কাপড় লাগানো থাকে যা দিয়ে স্ক্রিন মোছা যায়।
২. ভালো দিকগুলো (Pros):
* কমপ্যাক্ট ডিজাইন: সবকিছু একটি ছোট বক্সের মধ্যে থাকে, ফলে হারিয়ে যাওয়ার ভয় কম এবং সহজেই বহনযোগ্য।* স্ক্রিন পরিষ্কারে কার্যকর: বক্সের পেছনে থাকা কাপড়টি মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিনের হাতের ছাপ বা তৈলাক্ত ভাব খুব দ্রুত দূর করে।
* সাশ্রয়ী মূল্য: সাধারণত ২০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে এটি পাওয়া যায়, যা এর কাজের তুলনায় বেশ সাশ্রয়ী।
* ইয়ারফোনের জন্য সেরা: ইয়ারফোনের স্পিকারের জালি পরিষ্কার করার জন্য এর ছোট নিব এবং ব্রাশটি দারুণ কার্যকর।
৩. সীমাবদ্ধতা (Cons):
* প্লাস্টিক বডি: বডিটি প্লাস্টিকের হওয়ায় এটি খুব বেশি শক্ত নয়। অতিরিক্ত চাপ দিলে বা হাত থেকে পড়লে ফাটল ধরতে পারে।* খালি স্প্রে বোতল: অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্প্রে বোতলে কোনো লিকুইড থাকে না, আপনাকে পানি বা ক্লিনিং সলিউশন নিজে ভরে নিতে হবে।
* কাপড়ের যত্ন: বক্সের গায়ে লাগানো পরিষ্কার করার কাপড়টি ময়লা হয়ে গেলে ধোয়া একটু কঠিন হতে পারে (পুরো বক্সসহ ধুতে হয়)।
৪. ব্যবহারবিধি ও টিপস:
* কিবোর্ড পরিষ্কার: প্রথমে কি-ক্যাপ পুলার দিয়ে বাটন খুলে নিন, এরপর বড় ব্রাশ দিয়ে ভেতরটা পরিষ্কার করুন।* স্ক্রিন পরিষ্কার: খালি বোতলে সামান্য পানি বা স্ক্রিন ক্লিনার লিকুইড ভরে স্ক্রিনে স্প্রে করুন, তারপর বক্সের সাইডের কাপড় দিয়ে আলতো করে মুছে নিন।
* ইয়ারফোন পরিষ্কার: সিলিকন নিব দিয়ে সাবধানে কানের ময়লাগুলো বের করে আনুন, এরপর ব্রাশ দিয়ে ঝেড়ে ফেলুন।
চূড়ান্ত রায়:
আপনি যদি আপনার ব্যবহৃত গ্যাজেটগুলো নতুনের মতো ঝকঝকে রাখতে চান এবং আপনার বাজেট কম হয়, তবে এই ৭-ইন-১ ক্লিনিং কিটটি চোখ বন্ধ করে নিতে পারেন। এটি আলাদা আলাদা টুলস কেনার ঝামেলা কমায় এবং বেশ কাজের।(কেনাকাটার আগে সেলারের রেটিং এবং রিভিউ সেকশনে থাকা কাস্টমারদের অরিজিনাল ছবিগুলো একবার দেখে নেওয়া ভালো।)
এখনই অর্ডার করুন
3. দারাজ লিংকের 2-in-1 Mini Wireless Vacuum Cleaner
দারাজ লিংকের 2-in-1 Mini Wireless Vacuum Cleaner টি বর্তমানে গাড়ি এবং ঘরের ছোটখাটো ময়লা পরিষ্কারের জন্য বেশ জনপ্রিয় একটি গ্যাজেট। নিচে এর একটি বিস্তারিত রিভিউ দেওয়া হলো:
২-ইন-১ মিনি ওয়্যারলেস ভ্যাকিউম ক্লিনার রিভিউ
এই পোর্টেবল ভ্যাকিউম ক্লিনারটি মূলত সেই সব জায়গার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যেখানে বড় ভ্যাকিউম পৌঁছাতে পারে না, যেমন—গাড়ির সিটের কোণা, কিবোর্ডের ফাঁক বা ড্রয়ারের ভেতর।মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ (Key Features):
* ওয়্যারলেস ডিজাইন: কোনো তারের ঝামেলা নেই, রিচার্জেবল ব্যাটারি দিয়ে চলে।* ২-ইন-১ ফাংশন: এটি দিয়ে ময়লা টেনে নেওয়া (Suction) এবং বাতাস দিয়ে ময়লা উড়িয়ে দেওয়া (Blowing)—উভয় কাজই করা যায়।
* LED লাইট: অন্ধকার কোণা বা গাড়ির সিটের নিচে পরিষ্কার করার জন্য এতে ছোট LED লাইট আছে।
* পোর্টেবিলিটি: আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা হওয়ায় সহজেই এক হাত দিয়ে ব্যবহার করা যায় এবং গাড়ির গ্লোভ বক্সে রাখা যায়।
ইতিবাচক দিক (Pros):
* বহনযোগ্যতা: এটি অনেক হালকা, ফলে দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলেও হাতে ব্যথা হয় না।* USB চার্জিং: টাইপ-সি বা মাইক্রো-ইউএসবি দিয়ে চার্জ দেওয়া যায়, যা পাওয়ার ব্যাংক বা গাড়ির চার্জার দিয়েও সম্ভব।
* ওয়াশাবল ফিল্টার: এর ভেতরের HEPA ফিল্টারটি খুলে পানি দিয়ে ধোয়া যায়, ফলে বারবার ফিল্টার কেনার খরচ বাঁচে।
* মাল্টি-নজেল: বিভিন্ন শেপের নজেল থাকায় সরু জায়গাগুলোতে সহজেই পৌঁছানো যায়।
নেতিবাচক দিক (Cons):
* সাকশন পাওয়ার (Suction Power): এটি ছোট ধুলোবালি বা চুলের জন্য ভালো, কিন্তু বড় বা ভারি ময়লা টানার জন্য খুব একটা শক্তিশালী নয়।* ব্যাটারি লাইফ: একবার ফুল চার্জ দিলে সাধারণত ১৫-২০ মিনিট একটানা ব্যবহার করা যায়। বড় কোনো কাজের জন্য এটি যথেষ্ট নয়।
* চার্জিং সময়: ব্যাটারি ফুল চার্জ হতে ২-৩ ঘণ্টা সময় নিতে পারে।
* শব্দ: আকারে ছোট হলেও ব্যবহারের সময় কিছুটা জোরালো শব্দ তৈরি করে।
কেন এটি কিনবেন?
আপনি যদি আপনার গাড়ির ড্যাশবোর্ড, এসি ভেন্ট, সোফার কোণা বা ল্যাপটপ কিবোর্ড নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে চান, তবে এটি একটি দুর্দান্ত বাজেট অপশন। তবে পুরো ঘর পরিষ্কার করার কথা ভাবলে এটি আপনার জন্য নয়।ব্যবহারের টিপস:
১. প্রতিবার ব্যবহারের পর ফিল্টারটি পরিষ্কার করুন, এতে সাকশন পাওয়ার ভালো থাকে।২. ভেজা ময়লা বা পানি পরিষ্কার করতে এটি ব্যবহার করবেন না, এতে মোটরের ক্ষতি হতে পারে।
এখনই অর্ডার করুন
4. Air Blower Dust Cleaning Machine 2-in-1
প্রোডাক্টটি মূলত একটি শক্তিশালী ইলেকট্রিক ডাস্টার, যা পিসি বিল্ডার এবং গ্যাজেট প্রেমীদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। নিচে এর একটি নিরপেক্ষ এবং বিস্তারিত রিভিউ দেওয়া হলো:
Air Blower Dust Cleaning Machine 2-in-1 রিভিউ
এই ডিভাইসটি সাধারণত আপনার পিসি কেসিং, কিবোর্ড, ক্যামেরা লেন্স বা গাড়ির ড্যাশবোর্ডের মতো সংবেদনশীল জায়গা থেকে ধুলোবালি তাড়াতে ব্যবহার করা হয়। এটি "কম্প্রেসড এয়ার ক্যান" (Compressed Air Can)-এর একটি রিচার্জেবল এবং সাশ্রয়ী বিকল্প।
মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ (Key Features):
* শক্তিশালী ব্লোয়িং: এতে থাকা উচ্চগতির মোটর খুব দ্রুত বাতাস নির্গত করে, যা জমে থাকা শুকনো ধুলোবালি নিমেষেই পরিষ্কার করে দেয়।* ২-ইন-১ মোড: এটি দিয়ে বাতাস দিয়ে ধুলো ওড়ানো (Blowing) এবং কিছু মডেলে হালকা সাকশন (Vacuuming) করার সুবিধাও থাকে।
* রিচার্জেবল ব্যাটারি: টাইপ-সি বা মাইক্রো-ইউএসবি চার্জিং সুবিধা থাকায় বারবার ব্যাটারি কেনার ঝামেলা নেই।
* মাল্টি-নজেল: বিভিন্ন আকারের নজেল থাকে, যা দিয়ে সরু কোণা বা কিবোর্ডের বাটনের ফাঁকে সহজে পৌঁছানো যায়।
ইতিবাচক দিক (Pros):
* পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী: একবার কিনলে বছরের পর বছর ব্যবহার করা যায়। বারবার এয়ার ক্যান কেনার খরচ বাঁচে।* ক্লিনিং সক্ষমতা: কিবোর্ডের গভীর থেকে ধুলো বের করা বা পিসির মাদারবোর্ডে জমে থাকা ঝুল পরিষ্কার করতে এটি অসাধারণ।
* পোর্টেবল: তারবিহীন হওয়ায় ঘরের যেকোনো কোণায় বা গাড়িতে নিয়ে যাওয়া যায়।
* একাধিক স্পিড মোড: সাধারণত ৩টি স্পিড গিয়ার থাকে, যা প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়ানো বা কমানো যায়।
নেতিবাচক দিক (Cons):
* শব্দ (Noise): হাই-স্পিডে চলার সময় এটি বেশ জোরালো শব্দ তৈরি করে (হেয়ার ড্রায়ারের মতো)।* গরম হওয়া: টানা অনেকক্ষণ ব্যবহার করলে ডিভাইসের পেছনের অংশ কিছুটা গরম হতে পারে।
* ব্যাটারি ব্যাকআপ: সর্বোচ্চ স্পিডে ব্যবহার করলে ব্যাটারি ২০-৩০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না।
কাদের জন্য এটি সেরা?
১. পিসি গেমার/ইউজার: মাদারবোর্ড বা জিপিইউ-এর ফ্যান পরিষ্কার রাখতে এটি অপরিহার্য।২. ফটোগ্রাফার: ক্যামেরা লেন্স বা বডি থেকে সূক্ষ্ম ধুলো সরাতে এটি নিরাপদ।
৩. অফিস ইউজার: কিবোর্ড বা প্রিন্টারের ভেতর পরিষ্কার রাখতে এটি দারুণ কার্যকর।
সতর্কতা ও টিপস:
সতর্কতা: সেনসিটিভ ইলেকট্রনিক্স পরিষ্কার করার সময় খুব কাছ থেকে হাই-স্পিড বাতাস দেবেন না, কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখুন।
টিপস: ডিভাইসটি চার্জে থাকা অবস্থায় ব্যবহার করবেন না, এতে ব্যাটারির আয়ু কমে যেতে পারে।



