Skip to main content

বিশেষ ক্ষেত্রে মামলা দেওয়ানী কার্যবিধি আইন

বিশেষ ক্ষেত্রে মামলা

 Section 79 Suits in Particular Cases Suits by or against the Government of Public Officers in their official capacity. Civil Procedure Law

ধারা ৭৯ সরকার বা সরকারি কর্মচারী দ্বারা বা তাদের বিরুদ্ধে পদাধিকার বলে মামলা। দেওয়ানী কার্যবিধি আইন।

ধারা ৭৯। সরকার দ্বারা বা তার বিরুদ্ধে মামলা

সরকার দ্বারা বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা বাদী বা বিবাদী হিসেবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে তা হচ্ছে বাংলাদেশ।

৭৯ ধারার বিশ্লেষণ

প্রতিনিধিত্ব মূলক মামলা সরকারের বিরুদ্ধে রুজু করা যায় কি?

প্রতিনিধিত্বমূলক মামলা সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকার কর্তৃক বাদী কর্তৃক করতে হবে। ১৯০৮ সনের দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, সরকার কর্তৃক বা তাঁর বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করতে হলে বাদী বা বিবাদী হিসাবে বাংলাদেশ নাম উল্লেখ করতে হবে। এইভাবে, এই ধারার বিধান মতে, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে কিংবা বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বাদী বা বিবাদী হিসাবে একটি প্রতিনিধিত্বমূলক মামলা রুজু করা যেতে পারে ।

সরকারের বিরুদ্ধে কিংবা বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক কিভাবে মামলা করা যায় এবং কখন

১৯০৮ সনের দেওয়ানি কার্যবিধির ৮০নং ধারার বিধান সাপেক্ষে, নােটিশ প্রদানের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিনিধিত্বমূলক মামলা রুজু করা যেতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৮০ ধারায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অথবা বাংলাদেশে সরকারের কোন অফিসারের বিরুদ্ধে সরকারি ক্ষমতা বলে সম্পাদিত হয়েছে বলে মনে হয়, এমন কার্যের বিরুদ্ধে সরকারি ক্ষমতা বলে সম্পাদতিত হয়েছে বলে মনে হয়, এমন কার্যের জন্য কোন মামলা রুজু করা যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না 

এই ব্যাপারে নিম্নলিখিত অফিস বা দফতরসমূহে লিখিত নােটিশ অর্পণ বা প্রদান করার দুই মাস সময় অতিবাহিত হওয়ার পর নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে মামলা করা চলবে; যেমন-

(ক) সরকারের বিরুদ্ধে কোন মামলা করতে হলে (রেলওয়ের ব্যাপারে সম্পর্কযুক্ত না হলে) উক্ত সরকারের কোন সচিবের বরাবরে বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ করতে হবে;

(খ) বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে কোন মামলা করতে হলে এবং উহা রেল কর্তৃপক্ষে সাথে সম্পর্কযুক্ত হলে সেক্ষেত্রে রেল-বিভাগের জেনারেল ম্যানেজারের বরাবরে নােটিশ প্রদান করতে হবে; এবং

(গ) কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তাঁকে বা তার অফিসে নােটিশ প্রদান করতে হবে এবং উক্ত নােটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম, বর্ণনা ও ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করছে তা উল্লেখ করতে হবে, এবং অনুরূপ নােটিশ দেওয়া হয়েছে বলে আরজিতে তা অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। এইভাবে, সরকারের বিরুদ্ধে কিংবা সরকারি পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করতে হবে। এই ধারায় বর্ণিত ব্যতিক্রম মূলক বিধানগুলি বাধ্যতামূলক বলে গণ্য হবে। উল্লেখিত শতাবলির অনুপস্থিতিতে, এই ধারাটি ব্যর্থ হয়ে যাবে। এইরূপক্ষেত্রে অন্য কোন বিচার্য বিষয়ের প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করেই আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।

এই ধারায় বর্ণিত নােটিশ প্রদান না করা পর্যন্ত এরূপ মামলা গ্রহণের আদালতের এখতিয়ার নাই।

যে ব্যক্তি এই ধরণের মামলা রুজু করবেন তাকেই সরকারের বিরুদ্ধে এই ধারার বিধান মােতাবেক নােটিশ বা বিজ্ঞপ্তি প্রদান করতে হবে। কিন্তু যেক্ষেত্রে অনুরূপ বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে বা উক্ত দুই মাস সময় অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে আরজিতে অনুরূপ বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিষয় উল্লেখ না থাকে, সেক্ষেত্রে মামলা দায়ের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলারবিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছা যায়, বা সরকার বা সরকারি কর্মচারী বাদীর দাবি স্বীকার করে, তবে বাদী কোন খরচ পাওয়ার অধিকার লাভ করবে না। তবে, এরূপ বিজ্ঞপ্তি ছাড়া কোন মামলা দায়েরের জবাব দাখিলের জন্য অন্ততঃপক্ষে তিন মাস সময় প্রদান করবেন।

ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সিদ্ধান্তিত ষ্টেট অব মাদ্রাজ বনাম সি, পি, এজেন্সিস মামলায় মহামান্য বিচারপতিগণ এই অভিমত পেশ করে যে, সরকারের বিরুদ্ধে মামলার ক্ষেত্রে অবশ্যই নােটিশ প্রদান করতে হবে এবং উক্ত নােটিশে উল্লেখিত বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করতে হবে;

এইভাবে, ১৯০৮ সনের দেওয়ানি কার্যবিধির ৮০ ধারার বিধান সাপেক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিনিধিত্বমূলক মামলা রুজু করা যেতে পারে।

ধারা ৮০ বিজ্ঞপ্তি বা নোটিশ

পদাধিকার বলে কৃত বলে গণ্য কোন কার্যের দরুন সরকার বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন মামলা করতে হলে নিম্নবর্ণিত অফিসে লিখিত নােটিশ প্রদান করার পর দুই মাস অতিক্রম না হলে মামলা করা চলবে না- 

ক) ১৯৭৪ সনের ৫৩তম আইনের সংশােধিত ১৯৭৩ সনের ৮ম আইন দ্বারা বাতিল। 

খ) এক) রেলওয়ে বিষয় সংক্রান্ত মামলা ছাড়া সরকারের বিরুদ্ধে মামলার ক্ষেত্রে সরকারের সচিব বা জেলা কালেক্টর, এবং

দুই) রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা বিষয়ক সরকারের ক্ষেত্রে রেলওয়ে জেনারেল ম্যানেজারের বরাবরে তদীয় অফিসে, এবং সরকারি কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তদীয় অফিসে তার বরাবরে মামলার কারণ, বাদীর নাম, বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদীর দাবিকৃত প্রতিকার উল্লেখ করে লিখিত বিজ্ঞপ্তি অৰ্পণ বা, রাখিবার পর দুই মাস অতিক্রান্ত হলে সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে এবং উক্ত বিজ্ঞপ্তি অনুরূপভাবে প্রদত্ত বা রাখা হয়েছে বলে বর্ণনা আরজিতে উল্লেখ থাকবে।

২) যেক্ষেত্রে উপরে উল্লেখিত মতে বিজ্ঞপ্তি বা নােটিশ অর্পণ না করে বা না রাখিয়া বা দুই মাসের উক্ত মেয়াদী সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্বে অনুরূপ কোন মামলা করা হয় বা যেক্ষেত্রে আরজিতে উক্তরূপ বিজ্ঞপ্তি উক্তরূপে অর্পিত বা রাখা হয়েছে বলে বর্ণনা উল্লেখ না থাকে, সেক্ষেত্রে, মামলার বিষয়বস্তুর বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসা যায় বা যদি সরকার বা সরকারি অফিসার মামলা হওয়ার তারিখ হতে দুই মাস মেয়াদী সময়ের ভিতর বাদীর দাবি মেনে নেয়, তাহলে বাদী কোন খরচা পাবে না। তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ বিজ্ঞপ্তি ছাড়া মামলা করা হলে আদালত সরকারকে লিখিত বিবৃতি পেশ করতে অনূন্য তিন মাস সময় মঞ্জুর করবে।

উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ

B, M, Shukla Vs. Fatima278

সরকারি কর্মকর্তা প্রকৃতপক্ষে যথার্থই কার্যটি সম্পাদন করে করে থাকুক বা করা হতে বিরত থাকুক না কেন তাকে নােটিশ দিতে হবে। ট্যাক্স আদায়কারী কর্মকর্তা যাতে সম্পত্তি বিক্রয় না করে তজ্জন্য তাকে নিবৃত্ত রাখতে কোন মামলা করতে হলে সরকার আবশ্যক পক্ষ বটে এবং এক্ষেত্রে অবশ্যই নােটিশ দিতে হবে।

ধারা ৮১। সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি

সরকারি ক্ষমতায় কৃত কর্মের জন্য সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায়-

ক) ডিক্রীজারি ছাড়া বিবাদীকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না,

খ) যেক্ষেত্রে আদালত সন্তুষ্টি লাভ করে যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি ছাড়া তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সে ক্ষেত্রে ইহা তাকে ব্যক্তিগত উপস্থিতি হতে অব্যাহতি প্রদান করবে।

ধারা ৮২। সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রী জারি 

১) সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রী প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে কত দিনের ভিতর উহা মিটানাে হবে, ডিক্রীতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং অনুরূপ উল্লিখিত সময়ের ভিতর যদি ডিক্রীর নির্দেশ পালন করা না হলে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য উহা সম্পর্কে সরকারের নিকট রিপাের্ট প্রেরণ করবে।

২) অনুরূপ পেশ করা তারিখ হতে তিন মাস মেয়াদী সময়ের জন্য উহা অনিষ্পন্ন না থাকলে অনুরূপ ডিক্রীর উপর কোন জারি কার্যব্যবস্থা চলবে না।


Popular Posts

HSC English First Paper English For Today Unit 1 Lesson 4

 HSC English First Paper - English For Today Unit 1, Lesson 4 Civic Engagement Education aims to bring about positive changes in our behavior. It helps us try to change our lives as well as the society we live in. Education that does not illuminate our minds or does not inspire us to work for the community it not complete at all. Education is not all about getting grades or receiving certificates we use education to make life better. We are expected to apply the knowledge, skills and values that we learn in a classroom in our engagement with the world that lies outside. And we can do so in many different ways. Let’s have a look at how education works. Leamers’ civic engagement is highly appreciated. all over the world. Civic engagement means working to make a difference in the civic life (the public life of the citizens as contrasted with private or personal life) of the community Using knowledge, skills, values and motivation. Civic engagement promotes the quality of life i...

SSC English First Paper Unit-1, Lesson-1 Mr Moti by Rahad Kabir

SSC English First Paper  Unit-1, Lesson-1 Mr. Moti by Rahad Kabir Read the passage. Then answer the questions below Ameen is seventeen when the war breaks out. One Monday, after supper, he announces he will go to war. Sonabhan shrieks in surprise. You want to leave me alone?   It won't take long. Ma, he assures her. I'll be back soon after the training. That night Sonabhan cannot sleep.   After sun-up, she opens the duck coop. The flock streams out, stretches and quacks around her for their morning meal. She takes longer than usual. She mixes water with rice husks in an earthen bowl and puts it down. They gobble it up in five minutes and head for the pond. Ameen has let out the chickens by then. He lifts his 12-week-old cockerel, Moti, and sits on the veranda. During his breakfast he doesn't strike up any conversation. Having noticed Sonabhan's puffy eyes, he knows not to mention last night's subject. He casts his glance to the aide, down at the cockerel eating ...

চার্জ গঠন কাকে বলে চার্জ গঠনের উদ্দেশ্যে ও চার্জে কি কি বিষয় উল্লেখ থাকে

 ভিডিও শর্ট নোটস্ অন ল - চার্জ ও চার্জ গঠন কাকে বলে?  চার্জ গঠনের উদ্দেশ্যে ও চার্জে কি কি বিষয় উল্লেখ থাকে?  কখন বিভিন্ন অপরাধের চার্জ ও বিচার একসাথে করা যায় ও কখন করা যায় না?  ত্রুটিপূর্ণ চার্জ গঠনের ফলাফল কি?  চার্জশিট ব্যাতিত বিচার বৈধ কিনা।  কখন আসামিকে অব্যহতি দেয়া হয়? Video Short Notes on Law.  What is charge and what is framing of charge?  What is the aim of framing of charge?  What things are included in the charge?  When several charges can be framed and tried at the same time and when not possible?  What is the result of faulty charge?  Whether trial is valid without charge sheet.  When the defendant is discharged from guilt. প্রশ্ন: চার্জ (charge) কাকে বলে? উত্তর: ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ (১) (সি) ধারা অনুযায়ী-কোন চার্জ একাধিক দফা সম্বলিত হলে সেই দফা সমূহের যে কোন একটি দফা চারজন অন্তর্ভুক্ত হবে। (Charge includes any head of charge when the charge contains more its than one.) অন্যভাবে বলা যায় -কোন অপরাধীকে...