- Get link
- X
- Other Apps
স্মার্ট অডিও গ্যাজেট গাইড ২০২৬: আপনার বাজেটে সেরা ১০টি ইয়ারবাডস, হেডফোন ও স্পিকার daraz smart product 4
স্মার্ট অডিও গ্যাজেট গাইড ২০২৬: আপনার বাজেটে সেরা ১০টি ইয়ারবাডস, হেডফোন ও স্পিকার
বর্তমান সময়ে একটি ভালো মানের অডিও ডিভাইস কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি আমাদের লাইফস্টাইলের অংশ। আপনি যদি দারাজ থেকে নিজের জন্য সেরা ইয়ারবাডস বা স্পিকারটি খুঁজে পেতে চান, তবে এই বিস্তারিত রিভিউটি আপনার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।
১. Hoco EW34: স্টাইল ও পারফরম্যান্সের মেলবন্ধন
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ Hoco EW34: |
Hoco EQ34 Plus ANC+ENC TWS Earbud বর্তমান সময়ে বাজেট-ফ্রেন্ডলি ইয়ারবাডগুলোর মধ্যে বেশ জনপ্রিয় একটি মডেল। নিচে এর বিস্তারিত রিভিউ এবং মূল বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হলো:
ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি
Hoco EQ34 Plus-এর ডিজাইনটি প্রিমিয়াম এবং আরামদায়ক। এর ওজন মাত্র ৪৪.৮ গ্রাম, যা দীর্ঘ সময় কানে পরে থাকার জন্য উপযোগী। এটি ABS প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি, যা একে টেকসই ও হালকা করেছে।
শব্দ ও নয়েজ ক্যানসেলেশন (ANC + ENC)
এই ইয়ারবাডটির প্রধান আকর্ষণ হলো এর Hybrid ANC (Active Noise Cancellation) এবং ENC (Environmental Noise Cancellation) প্রযুক্তি।
* ANC: বাইরের অপ্রয়োজনীয় শব্দ ব্লক করে গান শোনার অভিজ্ঞতাকে আরও গভীর করে।
* ENC: কথা বলার সময় চারপাশের শব্দ কমিয়ে আপনার ভয়েসকে পরিষ্কারভাবে অপর প্রান্তের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। এতে থাকা ৪টি মাইক্রোফোন কল কোয়ালিটিকে বেশ উন্নত করেছে।
ব্যাটারি লাইফ
বাজেট ইয়ারবাড হিসেবে এর ব্যাটারি ব্যাকআপ দারুণ:
* একবার চার্জে: ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত গান শোনা যায় (ANC অন থাকলে প্রায় ৬ ঘণ্টা)।
* চার্জিং কেসসহ: মোট ২৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ পাওয়া সম্ভব।
* ৩০০mAh-এর কেস এবং প্রতিটি বাডে ৪০mAh-এর ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে।
কানেক্টিভিটি এবং অ্যাপ সাপোর্ট
* ব্লুটুথ ৫.৪: এতে লেটেস্ট ব্লুটুথ ৫.৪ এবং Jerry AC7003D4 চিপ ব্যবহার করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দ্রুত ও স্থিতিশীল কানেকশন নিশ্চিত করে।
* অ্যাপ সাপোর্ট: 'Hoco Music' অ্যাপের মাধ্যমে আপনি এর EQ সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন, টাচ কন্ট্রোল নিজের মতো সেট করতে পারবেন এবং ব্যাটারি লেভেল দেখতে পাবেন। এমনকি 'Find My Earbuds' ফিচারের মাধ্যমে হারানো বাড খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
* Hall Switch: কেস খোলার সাথে সাথেই এটি আপনার ফোনের সাথে কানেক্ট হয়ে যায়।
ভালো দিক (Pros):
১. লেটেস্ট ব্লুটুথ ৫.৪ প্রযুক্তি।
২. বাজেট অনুযায়ী চমৎকার নয়েজ ক্যানসেলেশন (ANC)।
৩. শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যাকআপ (২৮ ঘণ্টা)।
৪. কাস্টমাইজযোগ্য অ্যাপ সাপোর্ট।
৫. দ্রুত কানেক্টিভিটি এবং মাল্টি-ডিভাইস সুইচিং সুবিধা।
মন্দ দিক (Cons):
১. হাই-এন্ড ব্র্যান্ডের তুলনায় বিল্ড কোয়ালিটি খুব সাধারণ মনে হতে পারে।
২. যারা খুব ভারী বেইজ (Extra Bass) পছন্দ করেন, তাদের কাছে সাউন্ড কিছুটা কম মনে হতে পারে (যদিও অ্যাপ দিয়ে টিউন করা যায়)।
চূড়ান্ত মতামত:
আপনি যদি ১,০০০ থেকে ১,২০০ টাকার মধ্যে এমন একটি ইয়ারবাড খুঁজছেন যাতে ANC, ভালো কল কোয়ালিটি এবং অ্যাপ কন্ট্রোল থাকে, তবে Hoco EQ34 Plus আপনার জন্য একটি সেরা অপশন হতে পারে। বিশেষ করে স্টুডেন্ট বা অফিস গোয়িং মানুষদের জন্য এটি একটি ভ্যালু-ফর-মানি প্রোডাক্ট।
বর্তমান অফার জানতে ক্লিক করুন
দারাজ লিঙ্ক থেকে কেনার আগে সেলার রেটিং এবং কাস্টমার রিভিউ দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
যাঁরা অ্যাপল এয়ারপডসের মতো প্রিমিয়াম ডিজাইন পছন্দ করেন কিন্তু বাজেট কিছুটা কম, তাঁদের জন্য Hoco EW34 বা EW04 সেরা পছন্দ। এর ক্রিস্টাল ক্লিয়ার সাউন্ড এবং চমৎকার টাচ কন্ট্রোল আপনাকে দেবে প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা। দীর্ঘক্ষণ কানে দিয়ে রাখলেও এটি বেশ আরামদায়ক।
এখনই অর্ডার করুন
২. Oraimo FreePods 4: নয়েজ ক্যান্সেলেশনের জাদু
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ Oraimo FreePods Neo |
ওরাইমো (oraimo) বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে ওয়ান-অফ-দ্য বেস্ট বাজেট ফ্রেন্ডলি অডিও ব্র্যান্ড। বিশেষ করে oraimo FreePods Neo-এর এই স্পেশাল Tahsan Edition-টি স্টাইল এবং পারফরম্যান্সের এক দারুণ কম্বিনেশন। নিচে এর বিস্তারিত রিভিউ দেওয়া হলো:
১. ডিজাইন ও কমফোর্ট (Design & Comfort)
এই ইয়ারবাডটির অন্যতম আকর্ষণ হলো এর সলিড ডিজাইন। এটি একটি 'হাফ ইন-ইয়ার' (Half-in-ear) ডিজাইনের বাড, যার ফলে যারা কানে সিলিকন টিপস পছন্দ করেন না বা দীর্ঘক্ষণ পরলে কানে ব্যথা হয়, তাদের জন্য এটি পারফেক্ট। এটি কানে খুব হালকা অনুভূত হয় এবং সহজেই ফিট হয়ে থাকে।
২. সাউন্ড কোয়ালিটি (Sound Quality)
* HavyBass™ Technology: ওরাইমোর সিগনেচার হেভি-বেস প্রযুক্তির কারণে এতে বেশ ভালো মানের বেইজ পাওয়া যায়। পপ বা ইডিএম গানের জন্য এটি চমৎকার।
* সাউন্ড ক্লারিটি: মিড এবং হাই ফ্রিকোয়েন্সি বেশ পরিষ্কার, তবে যারা একদম প্রফেশনাল লেভেলের ব্যালেন্সড সাউন্ড চান, তাদের কাছে বেইজ কিছুটা বেশি মনে হতে পারে।
৩. কলিং এবং নয়েজ ক্যানসেলেশন (ENC)
এতে আছে 2-Mic ENC (Environmental Noise Cancellation) প্রযুক্তি। এটি কল করার সময় আপনার চারপাশের অপ্রয়োজনীয় শব্দ কমিয়ে দেয়, ফলে আউটডোরে কথা বলতে সুবিধা হয়। বাডটির মাইক কোয়ালিটি এই বাজেটে বেশ সন্তোষজনক।
৪. ব্যাটারি ব্যাকআপ (Battery Life)
ওরাইমো ব্যাটারির জন্য সব সময়ই সমাদৃত।
* একবার ফুল চার্জে এটি প্রায় ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ দেয়।
* কেসসহ মোট ৫০ ঘণ্টা পর্যন্ত প্লে-টাইম পাওয়া সম্ভব।
* AniFast™ Fast Charging: মাত্র ১০ মিনিট চার্জ দিলে আপনি প্রায় ১২০ মিনিট গান শুনতে পারবেন।
৫. গেমিং এবং ল্যাটেন্সি
এতে Low-latency Game Mode আছে। গেমারদের জন্য এটি ভালো খবর, কারণ এতে সাউন্ড ডিলে বা ল্যাগ অনেক কম হয়। ব্লুটুথ ৫.৩ থাকার কারণে কানেক্টিভিটি বেশ স্টেবল থাকে।
৬. অ্যাপ সাপোর্ট (oraimo Sound App)
সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট হলো এর অ্যাপ সাপোর্ট। oraimo Sound App ব্যবহার করে আপনি আপনার পছন্দমতো EQ (Equalizer) সেট করতে পারবেন এবং টাচ কন্ট্রোল কাস্টমাইজ করতে পারবেন।
৭. দাম ও ভ্যালু (Price & Value)
দারাজে বর্তমান ডিসকাউন্ট প্রাইস ১,৭১৫ টাকা এই বাজেটে এটি একটি কিলার ডিল। ২,০০০ টাকার নিচে অ্যাপ সাপোর্টসহ এমন ব্র্যান্ডেড ইয়ারবাড পাওয়া বেশ কঠিন।
ভালো দিক (Pros):
* অসাধারণ ব্যাটারি লাইফ (৫০ ঘণ্টা)।
* দারুণ বেইজ এবং সাউন্ড ক্লারিটি।
* অ্যাপ সাপোর্ট এবং কাস্টমাইজেশন সুবিধা।
* ১০ মিনিট চার্জে ২ ঘণ্টা ব্যবহারের সুবিধা।
* তাহসান এডিশন হওয়ায় লুকটা প্রিমিয়াম।
খারাপ দিক (Cons):
* সিলিকন টিপস না থাকায় প্যাসিভ নয়েজ ক্যানসেলেশন কিছুটা কম।
* খুব বেশি ছোট কান হলে ফিটিংয়ে হালকা সমস্যা হতে পারে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
আপনি যদি ১,৭০০ টাকার আশেপাশে এমন একটি ইয়ারবাড খুঁজেন যা টেকসই হবে, ব্যাটারি ব্যাকআপ বেশি দিবে এবং যেটির সার্ভিস ওয়ারেন্টি (১ বছর) নিয়ে টেনশন করতে হবে না, তবে oraimo FreePods Neo চোখ বন্ধ করে নিতে পারেন। বিশেষ করে যারা মিউজিক লাভার এবং দীর্ঘ সময় কলে কথা বলেন, তাদের জন্য এটি সেরা পছন্দ।
বর্তমান অফার জানতে ক্লিক করুন
মিড-রেঞ্জ বাজেটে Oraimo FreePods 4 বর্তমানে বাজারের অন্যতম সেরা ইয়ারবাড। এতে রয়েছে অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যান্সেলেশন (ANC) প্রযুক্তি, যা বাইরের অপ্রয়োজনীয় শব্দ কমিয়ে দেয়। এর অ্যাপ সাপোর্ট এবং দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ একে ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
এখনই অর্ডার করুন
৩. Realme Buds Air 5: গেমারদের প্রথম পছন্দ
![]() |
| দারাজ Realme Buds Air 5 |
আপনি যে পণ্যটি খুঁজে পেয়েছেন, তা নিয়ে একটি পরিষ্কার এবং সতর্কমূলক রিভিউ নিচে দেওয়া হলো। কোনো কিছু কেনার আগে এই বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল করবেন:
সতর্কবার্তা: এটি কি আসল প্রোডাক্ট?
Realme Buds Air (Copy Version) রিভিউ:
১. ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি
এই ইয়ারবাডগুলো দেখতে একদম আসল অ্যাপল এয়ারপডস বা রিয়েলমি বাডস এয়ারের মতো। এটি প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এবং কানে বেশ হালকা। তবে ফিনিশিং বা দীর্ঘস্থায়িত্ব অরিজিনাল পণ্যের মতো হবে না।
২. সাউন্ড কোয়ালিটি
* সাউন্ড: ২৭৩ টাকা হিসেবে এতে সাধারণ মানের শব্দ পাওয়া যাবে। মিউজিকের বেইজ (Bass) বা ট্রিবল (Treble) খুব একটা ভালো হবে না। উচ্চ ভলিউমে গান শুনলে শব্দ ফেটে যেতে পারে।
* কলিং: ইনডোরে বা শান্ত পরিবেশে কথা বলা গেলেও, বাইরের কোলাহলে মাইক্রোফোন খুব একটা কাজ করবে না।
৩. কানেক্টিভিটি ও চার্জ
* ব্লুটুথ: এতে সাধারণত ব্লুটুথ ৫.০ বা ৫.৩ ভার্সন থাকে, যা ফোনের সাথে সহজেই পেয়ার হয়।
* ব্যাটারি: একবার চার্জে ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টা ব্যাকআপ দিতে পারে। কেস থেকে আরও ২-৩ বার চার্জ দেওয়া সম্ভব হতে পারে।
ভালো দিক (Pros):
* অত্যন্ত সস্তা (যারা শখের বসে বা ট্রায়াল দেওয়ার জন্য নিতে চান)।
* দেখতে প্রিমিয়াম লুক।
* ওয়্যারলেস চার্জিং কেস (কিছু মডেলে দাবি করা হয়, তবে কাজ নাও করতে পারে)।
খারাপ দিক (Cons):
* এটি অরিজিনাল রিয়েলমি পণ্য নয়।
* সাউন্ড কোয়ালিটি এবং কলিং মান খুবই সাধারণ।
* ব্যাটারি লাইফ খুব কম।
* খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
চূড়ান্ত পরামর্শ:
আপনি যদি খুব অল্প দামে জাস্ট ব্যবহারের জন্য কিছু খুঁজছেন, তবে এটি ট্রাই করতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি ভালো সাউন্ড, ওয়ারেন্টি এবং দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স চান, তবে আমি পরামর্শ দেব ১,৫০০ - ২,০০০ টাকার মধ্যে Hoco, Oraimo বা Redmi-এর অফিশিয়াল ইয়ারবাডগুলো দেখতে।
বর্তমান অফারটি দেখতে ক্লিক করুন
আপনি যদি মিউজিকের পাশাপাশি গেমিং পছন্দ করেন, তবে Realme Buds Air 5 আপনার জন্য। এর লো-ল্যাটেন্সি মোড গেম খেলার সময় শব্দ এবং ভিজুয়ালের মধ্যে নিখুঁত সামঞ্জস্য বজায় রাখে। এছাড়া এর গভীর বেস (Deep Bass) মিউজিক প্রেমীদের মুগ্ধ করবে।
এখনই অর্ডার করুন
৪. Soundcore Liberty 4: হাই-রেজোলিউশন অডিও
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ Soundcore Liberty 4 |
অ্যাংকার (Anker) ব্র্যান্ডের Soundcore Liberty 4 NC বর্তমানে বাংলাদেশের প্রিমিয়াম বাজেট সেগমেন্টে (৮,০০০ - ৯,৫০০ টাকা) অন্যতম সেরা নয়েজ ক্যানসেলিং ইয়ারবাড। যারা মিউজিক কোয়ালিটি এবং বাইরের কোলাহলমুক্ত অভিজ্ঞতা খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি পাওয়ারহাউস।
নিচে এর বিস্তারিত রিভিউ দেওয়া হলো:
১. নয়েজ ক্যানসেলেশন (Adaptive ANC 2.0)
এই ইয়ারবাডটির নামেই "NC" (Noise Cancellation) আছে, যা এর প্রধান শক্তি। কোম্পানি দাবি করে এটি ৯৮.৫% পর্যন্ত বাইরের শব্দ কমাতে পারে। এটি আপনার চারপাশের পরিবেশ অনুযায়ী অটোমেটিক নয়েজ ক্যানসেলেশন অ্যাডজাস্ট করে নেয়, যা জ্যাম বা বিমানের শব্দের মধ্যেও আপনাকে শান্তিতে গান শুনতে সাহায্য করবে।
২. সাউন্ড কোয়ালিটি ও হাই-রেস অডিও
* LDAC Support: এটি হাই-রেস (Hi-Res) অডিও সাপোর্ট করে এবং এতে LDAC প্রযুক্তি আছে। অর্থাৎ, আপনি যদি হাই-কোয়ালিটি মিউজিক ফাইল শোনেন, তবে সাধারণ ইয়ারবাডের চেয়ে ৩ গুণ বেশি ডিটেইলড সাউন্ড পাবেন।
* Custom Driver: এর ১১ মিমি কাস্টম ড্রাইভার বেশ পাঞ্চি বেইজ (Bass) এবং ক্রিস্প সাউন্ড প্রদান করে।
৩. ব্যাটারি লাইফ ও চার্জিং
ব্যাটারি ব্যাকআপের দিক থেকে এটি বাজারে থাকা অনেক দামী ইয়ারবাডকেও টেক্কা দেয়:
* একবার চার্জে: ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত গান শোনা যায় (ANC অফ থাকলে)।
* চার্জিং কেসসহ: মোট ৫০ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ পাওয়া সম্ভব।
* Wireless Charging: এতে ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা আছে এবং মাত্র ১০ মিনিট চার্জে ৪ ঘণ্টা ব্যবহারের 'ফাস্ট চার্জিং' সাপোর্ট করে।
৪. কল কোয়ালিটি (6-Mic AI)
এতে মোট ৬টি মাইক্রোফোন এবং AI অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে ব্যস্ত রাস্তায় বা বাতাসের মধ্যেও আপনার কণ্ঠস্বর অপর প্রান্তে বেশ পরিষ্কারভাবে পৌঁছাবে। অফিস মিটিং বা রেগুলার কলিংয়ের জন্য এটি দারুণ।
৫. সাউন্ডকোর অ্যাপ (App Support)
Anker-এর 'Soundcore App' অ্যাপটি বাজারের অন্যতম সেরা ইয়ারবাড অ্যাপ। এখান থেকে আপনি:
* ২২টিরও বেশি প্রি-সেট EQ সেট করতে পারবেন।
* HearID 2.0: এটি আপনার কানের শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করে আপনার জন্য সেরা সাউন্ড প্রোফাইল তৈরি করে দেবে।
* টাচ কন্ট্রোল কাস্টমাইজ করতে পারবেন।
ভালো দিক (Pros):
* অসাধারণ নয়েজ ক্যানসেলেশন (এই বাজেটে সেরা)।
* দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপ (৫০ ঘণ্টা)।
* হাই-রেস এবং LDAC সাপোর্ট।
* ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা।
* IPX4 ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স (ঘাম বা হালকা বৃষ্টিতে সমস্যা নেই)।
খারাপ দিক (Cons):
* কেসটি কিছুটা বড় এবং মেট ফিনিশিং হওয়ায় স্ক্র্যাচ পড়ার ভয় থাকে (এজন্যই আগে আপনার দেওয়া সিলিকন কভারটি কেনা জরুরি)।
* ছোট কানে দীর্ঘক্ষণ পরে থাকলে কিছুটা ভারী মনে হতে পারে।
চূড়ান্ত মতামত:
আপনি যদি আপনার বাজেট ৮,৫০০ থেকে ৯,০০০ টাকার মধ্যে রাখতে পারেন এবং এমন একটি ইয়ারবাড চান যা সাউন্ড এবং নয়েজ ক্যানসেলেশনে অ্যাপল বা সনির প্রিমিয়াম বাডগুলোর কাছাকাছি পারফরম্যান্স দেবে, তবে Soundcore Liberty 4 NC আপনার জন্য সেরা চয়েস।
বর্তমান অফার জানতে ক্লিক করুন
টিপস: দারাজে কেনার সময় সেলারের গ্যারান্টি এবং শপ রেটিং দেখে নিন, কারণ এটি একটি দামী প্রোডাক্ট। আপনি কি চান আমি এই ইয়ারবাডটির বর্তমান অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি পলিসি সম্পর্কে আপনাকে আরও কিছু জানাই?
যাঁরা সাউন্ড কোয়ালিটি নিয়ে বিন্দুমাত্র আপস করতে চান না, তাঁদের জন্য Soundcore Liberty 4 একটি দুর্দান্ত ইনভেস্টমেন্ট। এতে রয়েছে ডুয়াল ডায়নামিক ড্রাইভার এবং হাই-রেজ অডিও সাপোর্ট। এমনকি এতে হার্ট রেট সেন্সরও যুক্ত করা হয়েছে, যা একটি ইউনিক ফিচার।
এখনই অর্ডার করুন
৫. Lenovo LP40 Pro: বাজেটের মধ্যে সেরা অলরাউন্ডার
![]() |
| অর্ডার করুন - daraz Lenovo LP40 Pro |
Lenovo LP40 Pro বর্তমানে বাংলাদেশের বাজেট ইয়ারবাড মার্কেটের অন্যতম একটি 'হট-সেলিং' প্রোডাক্ট। বিশেষ করে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে যারা ব্র্যান্ডের ইয়ারবাড খুঁজছেন, তাদের কাছে এটি খুবই জনপ্রিয়। নিচে এর বিস্তারিত রিভিউ তুলে ধরা হলো:
১. ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি
LP40 Pro-এর ডিজাইনটি বেশ কমপ্যাক্ট এবং পোর্টেবল। এটি 'সেমি ইন-ইয়ার' (Semi-in-ear) ডিজাইনের, অর্থাৎ এর মাথায় সিলিকন টিপস আছে যা কানে খুব ভালো গ্রিপ দেয়। দীর্ঘ সময় পরে থাকলেও কানে ব্যথা হয় না। প্লাস্টিক বিল্ড কোয়ালিটি এই বাজেটে বেশ ডিসেন্ট।
২. সাউন্ড পারফরম্যান্স
* সাউন্ড: এতে ১৩ মিমি বড় ড্রাইভার ব্যবহার করা হয়েছে, যা বেশ লাউড এবং পরিষ্কার সাউন্ড প্রদান করে।
* বেইজ (Bass): সাধারণ মিউজিক শোনার জন্য বেইজ ঠিকঠাক, তবে খুব বেশি ডিপ বা হেভি বেইজ আশা করা ঠিক হবে না।
* নয়েজ রিডাকশন: এতে 'ফিজিক্যাল নয়েজ রিডাকশন' বলা হলেও এটি মূলত প্যাসিভ আইসোলেশন। অর্থাৎ, কানে ভালো ফিট হওয়ার কারণে বাইরের শব্দ কিছুটা কম শোনা যায়।
৩. ব্যাটারি ও চার্জিং
* একবার চার্জে: বাডগুলো প্রায় ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা ব্যাকআপ দেয়।
* কেসসহ: চার্জিং কেস ব্যবহার করে আপনি মোট ২০-২২ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ পেতে পারেন।
* চার্জিং পোর্ট: এতে আধুনিক Type-C চার্জিং পোর্ট ব্যবহার করা হয়েছে, যা দ্রুত চার্জ হতে সাহায্য করে।
৪. কানেক্টিভিটি ও কন্ট্রোল
* ব্লুটুথ ৫.১: এতে ব্লুটুথ ৫.১ চিপ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ফোনের সাথে দ্রুত কানেক্ট হয় এবং ১০ মিটার পর্যন্ত রেঞ্জ দেয়।
* টাচ কন্ট্রোল: গান পজ/প্লে করা, কল রিসিভ করা বা ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু করার জন্য এতে সেনসিটিভ টাচ কন্ট্রোল আছে।
ভালো দিক (Pros):
১. অত্যন্ত সাশ্রয়ী দাম (৫০০-৭০০ টাকার মধ্যে)।
২. টাইপ-সি চার্জিং সুবিধা।
৩. ওজনে খুব হালকা এবং কানে আরামদায়ক।
৪. গেমিং বা মুভি দেখার সময় ল্যাগ (Latency) বেশ কম।
৫. IPX5 রেটিং (ঘাম বা হালকা জলকণা থেকে সুরক্ষা)।
খারাপ দিক (Cons):
১. মাইক্রোফোন কোয়ালিটি খুব একটা ভালো নয় (বাইরে বা জ্যামে কথা বলতে সমস্যা হতে পারে)।
২. খুব হাই ভলিউমে সাউন্ড কিছুটা শার্প মনে হতে পারে।
৩. বাজারে এর প্রচুর কপি বা মাস্টার কপি পাওয়া যায়, তাই আসলটা চেনা কঠিন।
সতর্কতা ও টিপস:
দারাজে এই মডেলটির দাম ৪০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে ওঠা-নামা করে। কেনার আগে অবশ্যই সেলার রেটিং এবং কাস্টমারদের দেওয়া অরিজিনাল ছবিসহ রিভিউ দেখে নেবেন। কারণ আসল Lenovo LP40 Pro-এর সাউন্ড আর কপি ভার্সনের সাউন্ডের মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে।
বর্তমান অফারটি জানতে ক্লিক করুন
বাজেট ইয়ারবাডের তালিকায় Lenovo LP40 Pro এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নাম। টাইপ-সি ফাস্ট চার্জিং, ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স এবং স্বচ্ছ সাউন্ড—সব মিলিয়ে এই দামে এর চেয়ে ভালো অপশন খুব কমই আছে। স্টুডেন্ট বা সাধারণ ব্যবহারের জন্য এটি সেরা।
এখনই অর্ডার করুন
৬. Sony WH-CH520: দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও আরাম
সনি (Sony)-র WH-CH520 বর্তমানে বাজেট-ফ্রেন্ডলি ওয়্যারলেস হেডফোনের বাজারে একটি 'চ্যাম্পিয়ন' মডেল। বিশেষ করে যারা খুব বেশি দামি হেডফোন না কিনেও সনির সিগনেচার সাউন্ড এবং বিশ্বাসযোগ্যতা চান, তাদের জন্য এটি চমৎকার।
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ Sony WH-CH520 |
নিচে এর বিস্তারিত রিভিউ দেওয়া হলো:
১. ডিজাইন ও কমফোর্ট (Design & Comfort)
এটি একটি On-Ear হেডফোন। এর ডিজাইনটি খুব সিম্পল এবং ক্লিন।
* হালকা ওজন: এটি ওজনে খুবই হালকা, যার ফলে দীর্ঘ সময় মাথায় দিয়ে রাখলে কোনো চাপ অনুভব হয় না।
* প্যাডিং: এর হেডব্যান্ড এবং কানে যে প্যাডগুলো আছে, সেগুলো বেশ নরম। তবে এটি যেহেতু অন-ইয়ার, তাই ২-৩ ঘণ্টা পর কান কিছুটা গরম হতে পারে।
২. অডিও কোয়ালিটি (Audio Quality)
* DSEE™ প্রযুক্তি: সনির ডিজিটাল সাউন্ড এনহ্যান্সমেন্ট ইঞ্জিন (DSEE) কম্প্রেসড মিউজিক ফাইলকে আরও ডিটেইলড করে তোলে।
* ব্যালেন্সড সাউন্ড: এর সাউন্ড কোয়ালিটি বেশ ক্রিস্প এবং পরিষ্কার। খুব বেশি চড়া বেইজ (Bass) না থাকলেও, ইন্সট্রুমেন্টাল মিউজিক এবং ভোকাল শুনতে অসাধারণ লাগে।
* EQ কাস্টমাইজেশন: সনির অফিশিয়াল "Headphones Connect" অ্যাপের মাধ্যমে আপনি নিজের পছন্দমতো বেইজ এবং ট্রিবল সেট করে নিতে পারবেন।
৩. ব্যাটারি লাইফ (অবিশ্বাস্য ব্যাকআপ!)
এই হেডফোনটির সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো এর ব্যাটারি।
* প্লে-টাইম: একবার ফুল চার্জে এটি প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ দেয়।
* ফাস্ট চার্জিং: মাত্র ৩ মিনিট চার্জ দিলে প্রায় ১.৫ ঘণ্টা মিউজিক শোনা যায়। অর্থাৎ, যারা বারবার চার্জ দেওয়ার ঝামেলা অপছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি সেরা।
৪. কানেক্টিভিটি ও কল কোয়ালিটি
* Multipoint Connection: আপনি একসাথে দুটি ডিভাইসে (যেমন: ফোন এবং ল্যাপটপ) এটি কানেক্ট করে রাখতে পারবেন। ফোনের কল আসলে ল্যাপটপ থেকে অটোমেটিক ফোনে সুইচ হয়ে যাবে।
* কলিং: এর বিল্ট-ইন মাইক্রোফোন বেশ ভালো মানের। এতে থাকা নয়েজ রিডাকশন টেকনোলজি কল করার সময় বাতাসের শব্দ কমিয়ে আপনার কথা পরিষ্কারভাবে অপর প্রান্তে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
ভালো দিক (Pros):
১. ৫০ ঘণ্টার বিশাল ব্যাটারি লাইফ।
২. একসাথে দুটি ডিভাইসে কানেক্ট করার সুবিধা (Multipoint)।
৩. সনির অফিশিয়াল অ্যাপ সাপোর্ট (Custom EQ)।
৪. অত্যন্ত হালকা এবং টেকসই বিল্ট কোয়ালিটি।
৫. কল কোয়ালিটি এই বাজেটে বেশ ভালো।
খারাপ দিক (Cons):
১. এতে কোনো ANC (Active Noise Cancellation) নেই, ফলে বাইরের আওয়াজ কানে আসবে।
২. এটি ফোল্ড করা যায় না (শুধু ইয়ারকাপগুলো ঘোরানো যায়), তাই ব্যাগে রাখতে বেশি জায়গা নেয়।
৩. ৩.৫ মিমি জ্যাকিং পোর্ট নেই, অর্থাৎ কেবল ব্লুটুথেই ব্যবহার করতে হবে।
চূড়ান্ত মতামত:
বাংলাদেশে এই হেডফোনটির দাম সাধারণত ৫,৫০০ থেকে ৭,০০০ টাকার মধ্যে থাকে। আপনি যদি প্রফেশনাল অনলাইন ক্লাস, অফিস মিটিং বা দীর্ঘক্ষণ মিউজিক শোনার জন্য এমন একটি হেডফোন চান যেটির চার্জ সহজে ফুরাবে না এবং ব্র্যান্ড ভ্যালু ভালো—তবে Sony WH-CH520 আপনার জন্য সেরা পছন্দ।
বর্তমান অফারটি জানতে ক্লিক করুন
ইয়ারবাড ব্যবহারের চেয়ে হেডফোন যাঁদের পছন্দ, তাঁদের জন্য Sony WH-CH520 অনবদ্য। এক চার্জে ৫০ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া যায়। এর মাল্টিপয়েন্ট কানেকশন ফিচারের মাধ্যমে আপনি একসাথে দুটি ডিভাইসে এটি কানেক্ট করে রাখতে পারবেন।
এখনই অর্ডার করুন
৭. JBL Go 3: পকেটে ভরা পাওয়ারফুল সাউন্ড
জেবিএল (JBL)-এর পোর্টেবল স্পিকার সিরিজের মধ্যে JBL Go 4 বর্তমানে বাজারে থাকা অন্যতম সেরা পকেট-সাইজ স্পিকার। যারা ছোট সাইজের মধ্যে শক্তিশালী সাউন্ড এবং ডিউরেবিলিটি খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি দুর্দান্ত চয়েস।
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ JBL Go 3 |
নিচে এর বিস্তারিত রিভিউ দেওয়া হলো:
১. ডিজাইন ও পোর্ট্যাবিলিটি
JBL Go 4-এর ডিজাইনটি আগের Go 3-এর মতোই স্টাইলিশ, তবে এতে কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন আনা হয়েছে। এটি আকারে এতই ছোট যে সহজেই আপনার হাতের তালুতে বা পকেটে এঁটে যাবে। এতে একটি টেকসই ইন্টিগ্রেটেড লুপ (Strap) আছে, যার ফলে এটি আঙুলে ঝুলিয়ে বা ব্যাগের সাথে আটকে রাখা যায়। এটি মূলত ইকো-ফ্রেন্ডলি ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি।
২. সাউন্ড কোয়ালিটি (JBL Pro Sound)
* সাউন্ড: ছোট স্পিকার হলেও এর সাউন্ড বেশ লাউড এবং ক্রিস্প। ভোকাল বা কথা খুব পরিষ্কার শোনা যায়।
* বেইজ (Bass): এই সাইজের স্পিকার হিসেবে এর বেইজ আপনাকে অবাক করবে। আগের ভার্সন (Go 3) থেকে এর বেইজ রেসপন্স কিছুটা উন্নত করা হয়েছে।
* Auracast™ Support: এটি এই স্পিকারের একটি বড় আপডেট। আপনি চাইলে একাধিক Auracast সাপোর্টেড JBL স্পিকার একসাথে কানেক্ট করে আরও বড় সাউন্ড আউটপুট পেতে পারেন।
৩. ব্যাটারি লাইফ
* প্লে-টাইম: একবার ফুল চার্জে এটি প্রায় ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ দেয়।
* Playtime Boost: জেনুইন জেবিএল অ্যাপ ব্যবহার করে 'Playtime Boost' মোড অন করলে আরও ২ ঘণ্টা বাড়তি ব্যাকআপ (মোট ৯ ঘণ্টা) পাওয়া সম্ভব।
* চার্জিং: টাইপ-সি (Type-C) পোর্টের মাধ্যমে এটি দ্রুত চার্জ হয়।
৪. স্থায়িত্ব (Durability)
এটি IP67 রেটিং প্রাপ্ত। এর মানে হলো এটি সম্পূর্ণভাবে ডাস্টপ্রুফ এবং ওয়াটারপ্রুফ। আপনি এটি পুলে, সমুদ্র সৈকতে বা বৃষ্টির মধ্যে অনায়াসেই ব্যবহার করতে পারবেন। এমনকি পানির নিচে (১ মিটার গভীরে ৩০ মিনিট) থাকলেও এর কোনো ক্ষতি হবে না।
৫. অ্যাপ সাপোর্ট
JBL Go সিরিজের মধ্যে এটিই প্রথম স্পিকার যা JBL Portable App সাপোর্ট করে। অ্যাপের মাধ্যমে আপনি এর ইকুয়ালাইজার (EQ) সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন এবং সফটওয়্যার আপডেট দিতে পারবেন।
ভালো দিক (Pros):
১. অত্যন্ত কমপ্যাক্ট এবং সহজে বহনযোগ্য।
২. ওয়াটারপ্রুফ এবং ডাস্টপ্রুফ (IP67)।
৩. লেটেস্ট ব্লুটুথ ৫.৩ প্রযুক্তি।
৪. অ্যাপ সাপোর্ট এবং মাল্টি-স্পিকার কানেক্টিভিটি।
৫. চমৎকার বিল্ট কোয়ালিটি এবং কালার অপশন।
খারাপ দিক (Cons):
১. খুব বড় রুম বা আউটডোর পার্টির জন্য এটি যথেষ্ট নয়।
২. ফুল ভলিউমে শুনলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হতে পারে।
৩. ৩.৫ মিমি অক্স (AUX) পোর্ট নেই।
চূড়ান্ত মতামত:
বাংলাদেশে JBL Go 4-এর দাম সাধারণত ৪,৫০০ থেকে ৫,৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। আপনি যদি ভ্রমণের সময়, সাইক্লিং করার সময় বা পড়ার টেবিলে শোনার জন্য একটি ব্র্যান্ডেড এবং টেকসই স্পিকার চান, তবে এটি বাজারে থাকা সেরা অপশন।
কেনার আগে পরামর্শ: দারাজে জেবিএল-এর অনেক কপি স্পিকার পাওয়া যায়। কেনার সময় অবশ্যই "JBL Official Store" বা ভালো রেটিংওয়ালা সেলার থেকে কিনবেন যাতে অরিজিনাল প্রোডাক্টটি পান।
বর্তমান অফারটি জানতে ক্লিক করুন
আউটডোর ট্রিপ বা ভ্রমণের জন্য JBL Go 3 পোর্টেবল স্পিকারের কোনো বিকল্প নেই। এটি যেমন ছোট, এর সাউন্ড আউটপুট তেমনই শক্তিশালী। আইপি৬৭ ওয়াটারপ্রুফ রেটিং থাকায় এটি বৃষ্টি বা ধুলোবালিতেও অনায়াসে ব্যবহার করা যায়।
এখনই অর্ডার করুন
৮. ET-312 RGB Party Speaker : ঘরোয়া আড্ডার সঙ্গী
ET-312 RGB Party Speaker
মূলত একটি বাজেট-ফ্রেন্ডলি "জেনডু" বা জেনেরিক পোর্টেবল স্পিকার, যা যারা খুব কম দামে পার্টি লুক এবং লাউড সাউন্ড খুঁজছেন তাদের জন্য তৈরি। নিচে এর বিস্তারিত রিভিউ দেওয়া হলো:
![]() |
| অর্ডার করুন - daraz ET-312 RGB Party Speaker |
১. ডিজাইন ও লাইটিং (Design & RGB Lights)
এই স্পিকারটির প্রধান আকর্ষণ হলো এর RGB কালারফুল লাইটস। গান চলার সময় এর লাইটগুলো পরিবর্তন হয়, যা অন্ধকার ঘরে বা ছোটখাটো ঘরোয়া পার্টিতে বেশ সুন্দর পরিবেশ তৈরি করে। এর বডি প্লাস্টিকের তৈরি এবং সামনে দুটি স্পিকার গ্রিল বা "Double Horn" ডিজাইন দেওয়া হয়েছে। এটি ওজনে বেশ হালকা এবং উপরে একটি হ্যান্ডেল থাকায় সহজেই বহন করা যায়।
২. সাউন্ড কোয়ালিটি (Audio Performance)
* সাউন্ড: এতে দুটি ছোট স্পিকার ড্রাইভার ব্যবহার করায় সাউন্ড বেশ লাউড। ইনডোর বা ছোট রুমের জন্য এর আওয়াজ যথেষ্ট।
* কোয়ালিটি: যেহেতু এটি একটি বাজেট স্পিকার (সাধারণত ৫০০-৮০০ টাকার মধ্যে), তাই এতে খুব বেশি ক্লারিটি বা ডিপ বেইজ (Deep Bass) আশা করা ঠিক হবে না। ভলিউম ফুল করে দিলে সাউন্ড কিছুটা ফেটে যেতে পারে। তবে সাধারণ শোনার জন্য এটি ঠিকঠাক।
৩. মাল্টি-ফাংশনাল কানেক্টিভিটি
বাজেট স্পিকার হলেও এতে কানেক্টিভিটির প্রায় সব অপশনই আছে:
* ব্লুটুথ: স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের সাথে ওয়ারলেসলি গান শোনা যায়।
* USB & TF Card: পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড থেকে সরাসরি গান বাজানো সম্ভব।
* FM Radio: যারা রেডিও শুনতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এতে এফএম রেডিও বিল্ট-ইন আছে।
* AUX Support: ফোনের সাথে ক্যাবল দিয়েও এটি চালানো যায়।
৪. ব্যাটারি ও চার্জিং
* এতে একটি রিচার্জেবল লিথিয়াম ব্যাটারি আছে।
* ব্যাকআপ: একবার ফুল চার্জে এটি সাধারণ ভলিউমে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ব্যাকআপ দিতে পারে (লাইটিং অন থাকলে ব্যাকআপ কিছুটা কম হবে)।
* এটি মাইক্রো-ইউএসবি (Micro-USB) পোর্টের মাধ্যমে চার্জ হয়।
ভালো দিক (Pros):
১. অত্যন্ত সস্তা এবং সাশ্রয়ী দাম।
২. আকর্ষণীয় আরজিবি (RGB) লাইটিং ইফেক্ট।
৩. পেনড্রাইভ এবং মেমোরি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা।
৪. হালকা এবং পোর্টেবল ডিজাইন।
খারাপ দিক (Cons):
১. ব্যাটারি ব্যাকআপ খুব একটা বেশি নয়।
২. খুব বেশি বেইজ বা ক্রিস্প সাউন্ড পাওয়া যায় না।
৩. বিল্ড কোয়ালিটি খুব একটা মজবুত নয়, হাত থেকে পড়লে ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকে।
চূড়ান্ত মতামত:
আপনি যদি আপনার পড়ার টেবিল বা ছোট বাচ্চাদের গিফট করার জন্য সস্তায় একটি স্টাইলিশ স্পিকার খুঁজছেন, তবে ET-312 নিতে পারেন। তবে আপনি যদি মিউজিক লাভার হন এবং গান শোনার আসল তৃপ্তি পেতে চান, তবে আমি সাজেস্ট করব বাজেট কিছুটা বাড়িয়ে JBL Go সিরিজ বা Xiaomi-র কোনো স্পিকার দেখা।
দারাজ টিপস: আপনি যে লিঙ্কটি দিয়েছেন, সেখানে এই স্পিকারের দাম এবং সেলারের রিভিউগুলো একবার চেক করে নিন। যেহেতু এগুলো চায়নিজ জেনেরিক স্পিকার, তাই ভালো রেটিংওয়ালা সেলার থেকে কেনাই নিরাপদ।
বর্তমান অফারটি জানতে ক্লিক করুন
আপনি যদি খুব কম দামে একটি বড় মাপের ব্লুটুথ স্পিকার খুঁজেন, তবে TG113 আপনার জন্য। এতে মেমোরি কার্ড, ইউএসবি এবং এফএম রেডিওর সুবিধাও রয়েছে। ঘরোয়া ছোটখাটো অনুষ্ঠান বা বন্ধুদের আড্ডায় এটি দারুণ কাজ করে।
এখনই অর্ডার করুন
৯. Hoco ব্র্যান্ডের EQ2 TWS স্বচ্ছ কলিং অভিজ্ঞতা
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ Hoco ব্র্যান্ডের EQ2 TWS |
Hoco ব্র্যান্ডের EQ2 TWS মূলত একটি এন্ট্রি-লেভেল বাজেট ইয়ারবাড, যা যারা ১,০০০ টাকার আশেপাশে একটি ব্যালেন্সড অডিও অভিজ্ঞতা খুঁজছেন তাদের জন্য তৈরি। নিচে এর বিস্তারিত রিভিউ দেওয়া হলো:
১. ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি
Hoco EQ2-এর ডিজাইনটি বেশ আধুনিক এবং ইন-ইয়ার (In-ear) টাইপ। এর চার্জিং কেসের সামনে একটি Digital LED Power Display আছে, যা এই বাজেটে বেশ কাজের ফিচার। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কেসে কতটুকু চার্জ অবশিষ্ট আছে। বাডগুলো ছোট এবং ওজনে হালকা, ফলে কানে বেশ ভালো ফিট হয়।
২. সাউন্ড কোয়ালিটি
* সাউন্ড প্রোফাইল: এতে ১৩ মিমি ড্রাইভার ব্যবহার করা হয়েছে। সাউন্ড কোয়ালিটি বেশ পরিষ্কার এবং লাউড।
* বেইজ (Bass): সাধারণ শ্রোতাদের জন্য বেইজ ঠিকঠাক, তবে আপনি যদি খুব হেভি বেইজ পছন্দ করেন তবে এটি আপনাকে কিছুটা নিরাশ করতে পারে।
* কলিং: ইনডোর বা শান্ত পরিবেশে কলিং কোয়ালিটি ভালো, তবে জ্যাম বা রাস্তার কোলাহলে মাইক্রোফোন কিছুটা নয়েজ পিক করতে পারে।
৩. ব্যাটারি ও চার্জিং
ব্যাটারি ব্যাকআপের দিক থেকে এটি বেশ নির্ভরযোগ্য:
* একবার চার্জে: বাডগুলো থেকে প্রায় ৭ ঘণ্টা মিউজিক প্লে-টাইম পাওয়া যায়।
* চার্জিং কেসসহ: কেসটি ব্যবহার করে মোট ২৮ থেকে ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ পাওয়া সম্ভব।
* চার্জিং পোর্ট: এটি Type-C চার্জিং পোর্ট সাপোর্ট করে, যা বর্তমান সময়ে সবকিছুর সাথেই মানানসই।
৪. কানেক্টিভিটি
এতে Bluetooth 5.3 প্রযুক্তি এবং Jerry AC6983D4 চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে ফোনের সাথে এটি খুব দ্রুত পেয়ার হয় এবং কানেকশন বেশ স্থিতিশীল থাকে। ১০ মিটার দূর পর্যন্ত এর রেঞ্জ কাজ করে।
ভালো দিক (Pros):
১. ডিজিটাল এলইডি ডিসপ্লে (ব্যাটারি পারসেন্টেজ দেখার জন্য)।
২. দারুণ ব্যাটারি ব্যাকআপ (একবার চার্জে ৭ ঘণ্টা)।
৩. দ্রুত কানেক্টিভিটির জন্য ব্লুটুথ ৫.৩।
৪. টাইপ-সি চার্জিং পোর্ট।
৫. সাশ্রয়ী দামে স্টাইলিশ লুক।
খারাপ দিক (Cons):
১. কোনো ডেডিকেটেড অ্যাপ সাপোর্ট নেই।
২. অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যানসেলেশন (ANC) নেই।
৩. গেমিংয়ের সময় সামান্য ল্যাটেন্সি বা সাউন্ড ডিলে হতে পারে।
চূড়ান্ত মতামত:
বাংলাদেশে Hoco EQ2-এর দাম সাধারণত ৯৫০ থেকে ১,১০০ টাকার মধ্যে থাকে। আপনি যদি ১,০০০ টাকার বাজেটে এমন একটি ইয়ারবাড খুঁজছেন যেটি দেখতে সুন্দর, ব্যাটারি ব্যাকআপ ভালো দেয় এবং যার কেসে চার্জ দেখার ডিসপ্লে আছে, তবে এটি একটি ভ্যালু-ফর-মানি চয়েস।
বর্তমানে অফার জানতে ক্লিক করুন
টিপস: দারাজ থেকে কেনার সময় "Hoco Flagship Store" বা টপ-রেটেড সেলার থেকে কেনার চেষ্টা করবেন। এছাড়া কেনার আগে প্যাকেটের গায়ে থাকা কিউআর কোড (QR Code) দিয়ে আসল প্রোডাক্ট কি না তা যাচাই করে নেবেন।
এখনই অর্ডার করুন
১০. M10 / M19 TWS: পাওয়ার ব্যাংক ও ইয়ারবাড একসাথে
![]() |
| অর্ডার করুন - দারাজ M10 / M19 TWS |
M10, M19, M28, F9 ইত্যাদি এগুলো মূলত বাংলাদেশের অনলাইন মার্কেটে (বিশেষ করে দারাজে) সবচাইতে বেশি বিক্রি হওয়া "বাজেট জেনেরিক ইয়ারবাড"। এগুলোর দাম সাধারণত ৩০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
নিচে এই সিরিজের ইয়ারবাডগুলোর একটি সম্মিলিত রিভিউ দেওয়া হলো:
১. ডিজাইন এবং বিশেষ ফিচার (Power Bank Feature)
এই সিরিজের ইয়ারবাডগুলোর সবচাইতে বড় আকর্ষণ হলো এদের চার্জিং কেস।
* পাওয়ার ব্যাংক: অধিকাংশ মডেলে (যেমন: M10, M19, F9) বড় ব্যাটারি থাকে যা দিয়ে জরুরি প্রয়োজনে আপনার ফোন কিছুটা চার্জ দেওয়া যায়।
* ডিজিটাল ডিসপ্লে: কেসের ভেতরে এলইডি ডিসপ্লে থাকে যা বাড এবং কেসের চার্জের পরিমাণ শতাংশে দেখায়।
* ফ্ল্যাশলাইট: কিছু মডেলে (যেমন: M19) ছোট একটি টর্চ লাইটও থাকে।
২. সাউন্ড কোয়ালিটি
* মিউজিক: ৩০০-৫০০ টাকা হিসেবে সাউন্ড বেশ লাউড। তবে অডিও ক্লারিটি বা বেইজ খুব একটা ভালো মানের নয়। উচ্চ ভলিউমে গান শুনলে শব্দ কিছুটা কর্কশ মনে হতে পারে।
* গেমিং: গেমিংয়ের জন্য (যেমন: PUBG/Free Fire) এগুলো খুব একটা উপযোগী নয়, কারণ এতে সাউন্ড ডিলে বা ল্যাটেন্সি বেশি থাকে।
৩. ব্যাটারি ব্যাকআপ
* বাডগুলো একবার চার্জে সাধারণত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ব্যাকআপ দেয়।
* কেসটি বেশ বড় হওয়ায় এটি দিয়ে বাডগুলোকে অনেকবার চার্জ দেওয়া যায়। তবে ফোন চার্জ দেওয়ার ফিচারটি খুব স্লো এবং এটি ফোনের ব্যাটারির জন্য খুব একটা নিরাপদ নাও হতে পারে।
৪. কল কোয়ালিটি
এগুলোর মাইক্রোফোন কোয়ালিটি খুবই সাধারণ। ইনডোরে কথা বলা গেলেও রাস্তা বা জ্যামে কথা বলতে গেলে অপর প্রান্তের মানুষ আপনার কথা খুব অস্পষ্ট শুনতে পাবে।
মডেল অনুযায়ী ছোট পার্থক্য:
* M10/F9: সবচাইতে জনপ্রিয় এবং বেসিক মডেল।
* M19: এতে একটি ছোট টর্চলাইট বা ফ্ল্যাশলাইট থাকে।
* M28/M90: এগুলো সাধারণত "Gaming" লুক দিয়ে তৈরি করা হয়, বডিতে আরজিবি লাইট থাকে।
* P47: এটি মূলত একটি অন-ইয়ার হেডফোন (ইয়ারবাড নয়), যা তার দিয়েও চালানো যায়।
ভালো দিক (Pros):
১. অত্যন্ত কম দাম (পকেট মানি দিয়ে কেনা সম্ভব)।
২. চার্জিং কেসে ডিজিটাল ডিসপ্লে।
৩. জরুরি সময়ে ফোন চার্জ দেওয়ার সুবিধা।
৪. দেখতে বেশ স্টাইলিশ ও গ্লসি।
খারাপ দিক (Cons):
১. টেকসই কম (হাত থেকে পড়লে বা সামান্য আঘাতেই নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে)।
২. কোনো অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি নেই।
৩. মাইক্রোফোন এবং সাউন্ড কোয়ালিটি গড়পড়তা।
৪. বাজারে এই মডেলগুলোর প্রচুর 'কপি' এবং 'মাস্টার কপি' থাকে, ফলে স্থায়িত্ব নিশ্চিত নয়।
চূড়ান্ত মতামত:
আপনি যদি খুব সীমিত বাজেটে জাস্ট গান শোনার জন্য বা শখের বসে ডিজিটাল ডিসপ্লেওয়ালা কোনো গ্যাজেট খুঁজছেন, তবে এগুলো নিতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি ভালো সাউন্ড এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহার চান, তবে বাজেট কিছুটা বাড়িয়ে Hoco বা Lenovo-র মতো ব্র্যান্ডের দিকে যাওয়াই ভালো হবে।
বর্তমান অফারটি জানতে ক্লিক করুন
সাশ্রয়ী মূল্যের মধ্যে M10 বা M19 মডেলগুলো দারাজে সব সময় ট্রেন্ডিং থাকে। এর বড় সুবিধা হলো চার্জিং কেসে থাকা এলইডি ডিসপ্লে এবং পাওয়ার ব্যাংক ফিচার, যা দিয়ে জরুরি মুহূর্তে আপনার স্মার্টফোনটিও চার্জ করে নেওয়া যায়।
এখনই অর্ডার করুন
কেন দারাজ (Daraz) থেকে কিনবেন?
* রিভিউ দেখে কেনার সুবিধা: কেনার আগে অন্য ক্রেতাদের রিভিউ এবং আপলোড করা ছবি দেখে আপনি পণ্যের আসল অবস্থা বুঝতে পারবেন।
* দারাজ মল (DarazMall): অরিজিনাল ব্র্যান্ডের ওয়ারেন্টিসহ পণ্য নিশ্চিত করতে দারাজ মল থেকে কেনা বুদ্ধিমানের কাজ।
* ভাউচার ও অফার: পেমেন্ট ডিসকাউন্ট এবং ভাউচার ব্যবহার করে আপনি বাজারের চেয়েও কম দামে এই গ্যাজেটগুলো সংগ্রহ করতে পারেন।











