Skip to main content

আপনার সাধারণ রান্নাঘরকে বানান 'স্মার্ট কিচেন': ১০টি দুর্দান্ত পোর্টেবল অ্যাপ্লায়েন্স Daraz Smart Products 5

আপনার সাধারণ রান্নাঘরকে বানান 'স্মার্ট কিচেন': ১০টি দুর্দান্ত পোর্টেবল অ্যাপ্লায়েন্স

রান্নাঘরে সময় নষ্ট না করে স্মার্টলি কাজ করতে চান? 🍳 আজই দেখে নিন দারাজের সেরা ১০টি পোর্টেবল কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের রিভিউ, যা আপনার দৈনন্দিন জীবনকে করে তুলবে অনেক বেশি আরামদায়ক। বাজেট আর কোয়ালিটির সেরা কম্বিনেশন এখন আপনার হাতের মুঠোয়! 🛒✨

১. Scarlett 7 Speed Hand Mixer

Scarlett Electric 7 Speed Hand Mixer

রান্নাঘরের কাজকে সহজ ও দ্রুত করতে ইলেকট্রিক হ্যান্ড মিক্সারের জুড়ি নেই। বিশেষ করে যারা বেকিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য Scarlett 7 Speed Hand Mixer একটি আদর্শ গ্যাজেট। বর্তমানে দারাজে এটি আকর্ষণীয় ডিসকাউন্টে পাওয়া যাচ্ছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কেন এটি আপনার কিচেনে থাকা প্রয়োজন।

এক নজরে ফিচারসমূহ:

* স্পিড কন্ট্রোল: এতে ৭টি ভিন্ন ভিন্ন স্পিড লেভেল রয়েছে। কম স্পিডে ময়দা মাখানো থেকে শুরু করে হাই স্পিডে ডিমের ফোম তৈরি—সবই করা সম্ভব।
* এক্সেসরিজ: এর সাথে ৪টি স্টেইনলেস স্টিল অ্যাটাচমেন্ট (Beaters এবং Dough Hooks) দেওয়া হয়। যা জং-রোধী এবং টেকসই।
* বহুমুখী ব্যবহার: এটি দিয়ে কেকের ব্যাটার, হুইপড ক্রিম, ডিমের সাদা অংশ এবং সাধারণ আটা-ময়দার মিশ্রণ অনায়াসেই তৈরি করা যায়।
* ডিজাইন ও কালার: এর সাদা রঙের ক্ল্যাসিক লুক এবং হ্যান্ডলিং ডিজাইন অত্যন্ত আরামদায়ক।

মূল্য এবং অফার:

দারাজে এই মিক্সারটির রেগুলার প্রাইস ১,৫০০ টাকা, কিন্তু বর্তমানে এটি বিশেষ ছাড়ে মাত্র ৮৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ আপনি পাচ্ছেন প্রায় ৪২% সরাসরি ডিসকাউন্ট!

কেন এটি কিনবেন (Pros):

১. বাজেট ফ্রেন্ডলি: ১০০০ টাকার নিচে একটি ভালো মানের হ্যান্ড মিক্সার পাওয়া সত্যিই লাভজনক।
২. পোর্টেবল: ওজনে হালকা হওয়ায় দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করলেও হাতে ব্যথা হয় না।
৩. সহজ ক্লিনিং: স্টেইনলেস স্টিলের বিটারগুলো সহজেই খুলে ধোয়া যায়।
৪. সময় সাশ্রয়ী: হাতে ঘুঁটে যা করতে ২০ মিনিট লাগে, এই মিক্সার দিয়ে তা ৩-৪ মিনিটেই সম্ভব।

আজকের অফারটি দেখতে ক্লিক করুন

সতর্কতা (Cons):

* নাগাড়ে ১০ মিনিটের বেশি মোটরটি না চালানোই ভালো। মাঝে মাঝে বিরতি দিলে মোটরের স্থায়িত্ব বাড়বে।
* শক্ত আটা মাখানোর চেয়ে লিকুইড বা সেমি-লিকুইড মিশ্রণের জন্য এটি বেশি কার্যকর।

চূড়ান্ত মতামত:

যারা নতুন বেকিং শুরু করেছেন বা ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে একটি শক্তিশালী মিক্সার খুঁজছেন, তাদের জন্য Scarlett 7 Speed Hand Mixer সেরা পছন্দ হতে পারে। ৮৭০ টাকায় এটি একটি 'ভ্যালু ফর মানি' ডিল!

কেক বেকিং বা ডিম ফেটানোর জন্য এটি একটি জাদুকরী টুল। এতে ৭টি ভিন্ন স্পিড সেট করা যায়, ফলে ময়দা মাখানো থেকে শুরু করে হুইপড ক্রিম তৈরি—সবই হয় নিমিষেই।

কেন কিনবেন: ওজনে হালকা এবং স্টোরেজ করা সহজ।

এখনই অর্ডার করুন

২. Mini USB Rechargeable Portable Juicer

স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিদের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় গ্যাজেট হলো এই পোর্টেবল জুসার। জিম, অফিস বা ভ্রমণের সময় ফ্রেশ জুস বা স্মুদি তৈরি করা এখন হাতের মুঠোয়। দারাজে পাওয়া এই মিনি ব্লেন্ডারটি কেন আপনার কালেকশনে থাকা উচিত, চলুন দেখে নিই।

এক নজরে ফিচারসমূহ:

 * রিচার্জেবল ব্যাটারি: এতে রয়েছে ইনবিল্ট রিচার্জেবল ব্যাটারি, যা USB ক্যাবল দিয়ে সহজেই পাওয়ার ব্যাংক, ল্যাপটপ বা মোবাইল অ্যাডাপ্টার দিয়ে চার্জ করা যায়।

 * কম্প্যাক্ট ডিজাইন: এটি দেখতে অনেকটা পানির বোতলের মতো, যা সহজেই ব্যাগে বহন করা যায়।

 * মাল্টি-ফাংশনাল: শুধু ফলের জুস নয়, এটি দিয়ে মিল্কশেক, স্মুদি এবং বেবি ফুডও খুব দ্রুত ব্লেন্ড করা সম্ভব।

 * সহজ অপারেশন: জাস্ট এক ক্লিকেই ব্লেন্ডিং শুরু হয়। এর ব্লেডগুলো স্টেইনলেস স্টিলের হওয়ায় বেশ ধারালো ও কার্যকর।

কেন এটি কিনবেন (Pros):

১. পোর্টেবিলিটি: আপনি যেখানেই যান, সাথে করে নিয়ে যেতে পারবেন। বিদ্যুৎ না থাকলেও চার্জ থাকলে এটি ব্যবহার করা যায়।

২. সময় সাশ্রয়ী: মাত্র ৩০ থেকে ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে আপনার পছন্দের ড্রিংক তৈরি হয়ে যায়।

৩. নিরাপদ উপাদান: সাধারণত এটি ফুড-গ্রেড নন-টক্সিক ম্যাটেরিয়াল দিয়ে তৈরি, যা স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।

৪. সহজ পরিষ্কার: এটি সহজেই খুলে পরিষ্কার করা যায়, আলাদা করে বড় ব্লেন্ডারের মতো ঝামেলার প্রয়োজন হয় না।

বর্তমান অফারটি জানতে ক্লিক করুন

সতর্কতা (Cons):

 * বরফ বা খুব শক্ত কোনো কিছু ব্লেন্ড করার সময় ফলগুলো ছোট ছোট টুকরো করে দিতে হবে।

 * একটানা বেশিক্ষণ চালাবেন না; প্রতিবার ব্লেন্ড করার পর সামান্য বিরতি দিন।

 * চার্জিং পোর্টে যেন পানি না ঢোকে সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

চূড়ান্ত মতামত:

যারা ডায়েট করছেন বা সবসময় ফ্রেশ থাকতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি একটি মাস্ট-হ্যাভ (Must-have) প্রোডাক্ট। বিশেষ করে ব্যাচেলর বা ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এটি টাকা উসুল একটি গ্যাজেট।

অফিস, জিম বা ভ্রমণের জন্য এটি সেরা সঙ্গী। একবার চার্জ দিলে বেশ কয়েকবার জুস তৈরি করা যায়। এর ধারালো ব্লেড সহজেই ফল ব্লেন্ড করে ফেলে।
* কেন কিনবেন: তারের ঝামেলা নেই এবং যেকোনো জায়গায় ফ্রেশ জুস খাওয়া যায়।

এখনই অর্ডার করুন

৩. OSAKA Multi-Purpose Blender & Meat Grinder

পণ্য রিভিউ: OSAKA Multi-Purpose Meat Grinder & Blender

রান্নাঘরের সবচাইতে কঠিন কাজগুলো যদি চুটকিতে করে ফেলা যায়, তবে কেমন হয়? OSAKA Japan Meat Grinder ঠিক সেই কাজটিই করে। এটি শুধু একটি ব্লেন্ডার নয়, বরং আপনার রান্নাঘরের একজন দক্ষ সহকারী। মাংস কিমা করা থেকে শুরু করে বরফ গুঁড়ো করা—সবই হবে সুপার ফাস্ট!

এক নজরে ফিচারসমূহ:

 * শক্তিশালী ব্লেড: এতে রয়েছে অত্যন্ত ধারালো ৪টি স্টেইনলেস স্টিল ব্লেড, যা দুই স্তরে বিন্যস্ত। ফলে খাবার খুব দ্রুত এবং সমানভাবে ব্লেন্ড হয়।

 * ৭৫০ মিলি ক্যাপাসিটি: ৭৫০ মিলিলিটারের মজবুত জারটি মাঝারি পরিবারের দৈনন্দিন রান্নার জন্য একদম পারফেক্ট।

 * মাল্টি-ফাংশনাল: এটি দিয়ে মাংস কিমা করা, মশলা বাটা, শক্ত ফল ব্লেন্ড করা, এমনকি স্মুদি বা জুসও তৈরি করা যায়।

 * কম্প্যাক্ট ডিজাইন: জাপানি প্রযুক্তিতে তৈরি এই গ্রাইন্ডারটি দেখতে বেশ স্টাইলিশ এবং খুব অল্প জায়গা দখল করে।

কেন এটি কিনবেন (Pros):

১. সুপার ফাস্ট পারফরম্যান্স: কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এটি যেকোনো শক্ত খাবারকে মিহি করে ফেলতে পারে।

২. সহজ ব্যবহার: এর উপরের অংশে পুশ বাটন সিস্টেম থাকায় ব্যবহার করা খুবই সহজ।

৩. নিরাপদ ও মজবুত: এর জারটি ফুড-গ্রেড প্লাস্টিক বা গ্লাসের (মডেল ভেদে) তৈরি, যা টেকসই এবং স্বাস্থ্যসম্মত।

৪. অল-ইন-ওয়ান সমাধান: আলাদা করে কিমা মেশিন বা মশলা ব্লেন্ডার কেনার প্রয়োজন পড়ে না।

সতর্কতা (Cons):

 * নাগাড়ে অনেকক্ষণ সুইচ চেপে ধরে না রেখে 'পালস' মোডে (ছেড়ে ছেড়ে) চালানো ভালো, এতে মোটরের দীর্ঘস্থায়িত্ব বাড়ে।

 * ব্লেডগুলো অত্যন্ত ধারালো, তাই পরিষ্কার করার সময় সাবধানে হাতল ধরে পরিষ্কার করা উচিত।

চূড়ান্ত মতামত:

যারা অল্প সময়ে রান্নার প্রিপারেশন শেষ করতে চান, তাদের জন্য OSAKA Meat Grinder একটি গেম-চেইঞ্জার। বিশেষ করে কুরবানি ঈদ বা মেহমানদারির সময় মাংস কিমা বা মশলা তৈরির ঝামেলা কমাতে এর কোনো বিকল্প নেই। সাশ্রয়ী মূল্যে জাপানি কোয়ালিটি পেতে এটি দারাজের অন্যতম সেরা পণ্য।

আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন

রসুন, আদা বা কাঁচা মরিচ কুচি করতে গিয়ে হাতে জ্বালাপোড়া করার দিন শেষ। এই রিচার্জেবল চপারটি মাত্র কয়েক সেকেন্ডে মশলা কুচি করে দেয়।
* কেন কিনবেন: সময় বাঁচায় এবং পরিষ্কার করা খুব সহজ।

পণ্য রিভিউ: Mini Portable Coffee & Drink Frother

বাসায় বসে রেস্টুরেন্টের মতো ক্যাপুচিনো বা ফেনা তোলা কফি খেতে চান? তাহলে এই Mini Drink Frother হতে পারে আপনার সবচাইতে সস্তা কিন্তু কার্যকরী সমাধান। মাত্র ১০০ টাকার কিছু বেশি দামে এটি আপনার পানীয় তৈরির অভিজ্ঞতা বদলে দেবে।

এক নজরে ফিচারসমূহ:

 * মাল্টি-পারপাস ব্যবহার: এটি শুধু কফি ফ্রোদার হিসেবেই নয়, বরং লাচ্ছি বানানো, দুধ ফেটানো বা দ্রুত ডিম বিট করার জন্যও দারুণ কার্যকর।

 * স্লিম ও পোর্টেবল ডিজাইন: এটি ওজনে অত্যন্ত হালকা এবং স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি মিক্সিং হেড থাকায় মরিচা ধরার ভয় নেই।

 * ব্যাটারি চালিত: এটি সাধারণ AA ব্যাটারিতে চলে, তাই কোনো কর্ড বা প্লাগের ঝামেলা নেই। যেকোনো জায়গায় সাথে নিয়ে যাওয়া যায়।

 * সহজ ব্যবহার: এতে শুধু একটি অন/অফ বোতাম রয়েছে, যা দিয়ে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

মূল্য এবং বিশেষ অফার:

দারাজে এই পোর্টেবল হ্যান্ড ব্লেন্ডারটির রেগুলার প্রাইস ২৯৮ টাকা, কিন্তু বর্তমানে ফ্ল্যাশ ডিলে বা বিশেষ ছাড়ে এটি পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১১৭ টাকায়! এই দামে এর চেয়ে কার্যকরী কিচেন গ্যাজেট খুঁজে পাওয়া কঠিন।

কেন এটি কিনবেন (Pros):

১. অবিশ্বাস্য সাশ্রয়ী: ১১৭ টাকায় কফি শপের মতো ফেনা তৈরি করা সত্যিই অসাধারণ।

২. সময় বাঁচায়: কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এটি দুধ বা কফিকে ঘন ও মসৃণ করে তোলে।

৩. সহজ পরিষ্কার: ব্যবহারের পর শুধু একটু সাবান-জলে চালিয়ে নিলেই এটি পরিষ্কার হয়ে যায়।

৪. ভ্রমণ উপযোগী: ক্যাম্পিং বা ট্রাভেলের সময় এটি ব্যাগের এক কোণায় অনায়াসেই রাখা যায়।

সতর্কতা (Cons):

 * এটি খুব ভারী ব্যাটার (যেমন: কেকের ঘন ময়দার ডো) মেশানোর জন্য তৈরি নয়। হালকা লিকুইড আইটেমে এটি সেরা কাজ করে।

 * ব্যাটারি শেষ হয়ে আসলে স্পিড কিছুটা কমে যেতে পারে, তাই ভালো মানের ব্যাটারি ব্যবহার করা জরুরি।

চূড়ান্ত মতামত:

কফি প্রেমী বা যারা ঝটপট নাস্তা তৈরি করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি একটি "স্মার্ট ডিল"। ১১৭ টাকায় এই হ্যান্ড ব্লেন্ডারটি আপনার রান্নাঘরের ছোটখাটো কাজগুলোকে অনেক সহজ করে দেবে।

আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন

বাসায় বসে রেস্টুরেন্টের মতো ক্যাপুচিনো বা কোল্ড কফি খেতে চাইলে এটি আপনার মাস্ট-হ্যাভ গ্যাজেট। এটি দুধকে খুব দ্রুত ঘন ফেনা বা ফোমে পরিণত করে।
* কেন কিনবেন: ব্যাটারি চালিত এবং কফি প্রেমীদের জন্য সাশ্রয়ী সমাধান।

এখনই অর্ডার করুন 

৫. Electric Kettle (1.5L - 2L)

পণ্য রিভিউ: Kiam Electric Glass Kettle BL-002 (1.8L)

একটি সাধারণ স্টিল কেটলির চেয়ে গ্লাস কেটলি রান্নাঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। Kiam BL-002 মডেলটি শুধু দেখতেই সুন্দর নয়, এটি অত্যন্ত দ্রুত পানি গরম করতে সক্ষম। কিয়াম বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড হওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিয়েও নিশ্চিন্ত থাকা যায়।

এক নজরে ফিচারসমূহ:

 * প্রিমিয়াম গ্লাস বডি: উচ্চমানের তাপ-সহনশীল বোরোসিলিকেট গ্লাস দিয়ে তৈরি, ফলে পানি ফুটন্ত অবস্থা বাইরে থেকেই দেখা যায়।

 * অটো শাট-অফ: পানি ফুটে গেলে এটি নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়, যা নিরাপদ ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেয়।

 * ওভার-হিট প্রোটেকশন: কেটলিতে পানি না থাকলে বা অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে দুর্ঘটনা রোধ করে।

 * ১৮০০ মিলি ক্যাপাসিটি: ১.৮ লিটার ক্ষমতা সম্পন্ন এই কেটলিটি বড় পরিবারের চা, কফি বা রান্নার গরম পানির চাহিদা অনায়াসেই মেটায়।

মূল্য এবং বিশেষ অফার:

দারাজে এই ইলেকট্রিক কেটলিটির রেগুলার প্রাইস ২,৮৭৮ টাকা, কিন্তু বর্তমানে এটি বিশেষ ছাড়ে মাত্র ১,৬৪৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। প্রায় ৪২% ছাড়ে এটি একটি দুর্দান্ত ভ্যালু ডিল!

কেন এটি কিনবেন (Pros):

১. স্বাস্থ্যসম্মত: গ্লাস বডি হওয়ায় স্টিল বা প্লাস্টিকের মতো পানিতে কোনো ধাতব গন্ধ হওয়ার ভয় নেই।

২. এলইডি ইন্ডিকেটর: পানি গরম হওয়ার সময় এতে নীল রঙের এলইডি আলো জ্বলে, যা কিচেনকে একটি আধুনিক লুক দেয়।

৩. ৩৬০ ডিগ্রি বেস: এর পাওয়ার বেসটি ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরানো যায়, ফলে ডানে বা বামে যেকোনো দিক থেকে কেটলিটি বসানো সহজ।

৪. সহজ ক্লিনিং: এর মুখ চওড়া হওয়ায় ভেতরটা পরিষ্কার করা খুব সহজ।

সতর্কতা (Cons):

 * এটি যেহেতু কাঁচের তৈরি, তাই ব্যবহারের সময় এবং ধোয়ার সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

 * পানির দাগ এড়াতে নিয়মিত পরিষ্কার রাখা জরুরি।

চূড়ান্ত মতামত:

যারা তাদের রান্নাঘরে একটু আভিজাত্য যোগ করতে চান এবং নিরাপদ ও দ্রুত পানি গরম করার সমাধান খুঁজছেন, তাদের জন্য Kiam Electric Glass Kettle সেরা পছন্দ। ১,৬৪৯ টাকায় কিয়ামের মতো ব্র্যান্ডের গ্লাস কেটলি পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার!

আজকের অফার জানতে ক্লিক করুন

চা, কফি বা রান্নার গরম জল—সবকিছুর জন্য একটি ইলেকট্রিক কেটলি অপরিহার্য। দারাজে ১.৫ থেকে ২ লিটারের স্টেইনলেস স্টিল বডি বা গ্লাসের কেটলিগুলো বেশ জনপ্রিয়।
* কেন কিনবেন: অটো-শাট অফ ফিচার থাকায় নিরাপদ এবং দ্রুত কাজ করে।

এখনই  অর্ডার করুন


৬. Digital Kitchen Weight Scale

দারাজ থেকে এই ১০ কেজি সক্ষমতার ডিজিটাল এলসিডি ডিসপ্লে ইলেকট্রনিক কিচেন স্কেলটি সম্পর্কে একটি বিস্তারিত রিভিউ নিচে দেওয়া হলো:

ইলেকট্রনিক কিচেন স্কেল (১০ কেজি) রিভিউ

রান্নাঘরের নিখুঁত মাপজোখ বা ডায়েট কন্ট্রোল করার জন্য এই ডিজিটাল স্কেলটি একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় গ্যাজেট। বিশেষ করে যারা বেকিং করেন বা ওজন মেপে খাবার খান, তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকর।

১. ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি:

স্কেলটি সাধারণত প্লাস্টিক বডির হয়ে থাকে, যা ওজনে খুব হালকা। এর সাদা রঙের ফিনিশিং দেখতে বেশ মার্জিত। ছোট আকৃতির হওয়ায় এটি কিচেনের যেকোনো কোণায় বা ড্রয়ারে খুব সহজেই রাখা যায়।

২. ডিসপ্লে ও রিডিং:

এতে একটি পরিষ্কার এলসিডি (LCD) ডিসপ্লে রয়েছে। রিডিংগুলো বেশ বড় দেখায়, তাই পড়তে অসুবিধা হয় না। এটি ১ গ্রাম থেকে শুরু করে ১০ কেজি পর্যন্ত ওজন নির্ভুলভাবে মাপতে পারে।

৩. বিশেষ ফিচারসমূহ:

 * Tare Function (টেয়ার ফাংশন): এটি এই স্কেলের সবচেয়ে বড় সুবিধা। এর মাধ্যমে আপনি কোনো বাটি বা পাত্রের ওজন বাদ দিয়ে শুধু ভেতরের জিনিসের (যেমন: চিনি, ময়দা বা তরল) আসল ওজন বের করতে পারবেন।

 * Unit Conversion: আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রাম (g) থেকে আউন্স (oz) ইউনিটে পরিবর্তন করতে পারবেন।

 * Auto Shut-off: ব্যাটারি সাশ্রয় করার জন্য কাজ শেষে এটি নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়।

৪. ব্যাটারি:

সাধারণত এটি ২টি AA বা AAA ব্যাটারিতে চলে (প্যাকেজে অনেক সময় দেওয়া থাকে)। ব্যাটারি অনেকদিন ব্যাকআপ দেয়।

ভালো দিক (Pros):

 * ১০ কেজি পর্যন্ত বিশাল রেঞ্জ, যা সাধারণ কিচেন স্কেলের চেয়ে বেশি।

 * ব্যবহার করা খুবই সহজ এবং ওজনে হালকা।

 * দাম হিসেবে পারফরম্যান্স বেশ ভালো (Value for money)।

 * রিডিং মোটামুটি নির্ভুল (Accuracy)।

কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons):

 * সম্পূর্ণ প্লাস্টিক বডি হওয়ায় খুব সাবধানে ব্যবহার করতে হয়, ওপর থেকে পড়লে ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকে।

 * ওয়াটারপ্রুফ নয়, তাই পানি থেকে দূরে রাখা জরুরি।

বাজেটের মধ্যে যারা ভালো মানের এবং বেশি ওজন মাপার ক্ষমতাসম্পন্ন কিচেন স্কেল খুঁজছেন, তারা দারাজের এই স্কেলটি নিতে পারেন। এটি আপনার রান্নার কাজকে আরও সহজ এবং নিখুঁত করবে।

আজকের অফার জানতে ক্লিক করুন

রান্নায় বা ডায়েটে উপকরণের সঠিক পরিমাপ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই স্কেলটি গ্রাম থেকে আউন্স—সব এককে নিখুঁত ওজন দেখায়।
* কেন কিনবেন: যারা ওজন কমাতে চান বা নিখুঁত বেকিং করতে চান, তাদের জন্য অপরিহার্য।

এখনই অর্ডার করুন

৭. Egg Master (Automatic Egg Roller)

দারাজ থেকে এই অটোমেটিক রোল-ডাউন ডাবল লেয়ার এগ ডিসপেনসারটি (Automatic Roll-Down Egg Dispenser) সম্পর্কে একটি বিস্তারিত রিভিউ নিচে দেওয়া হলো। বর্তমান সময়ে স্মার্ট কিচেন অর্গানাইজার হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয়।

অটোমেটিক রোল-ডাউন ডাবল লেয়ার এগ ডিসপেনসার রিভিউ

রান্নাঘরের ফ্রিজে বা কাউন্টারটপে ডিম গুছিয়ে রাখার জন্য এটি একটি আধুনিক ও স্মার্ট সমাধান। সাধারণ ডিমের কার্টন বা বাটির বদলে এটি ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধাগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

১. ডিজাইন ও স্পেস সেভিং:

এর সবচেয়ে বড় গুণ হলো এর Slim ও Double-Layer ডিজাইন। এটি ফ্রিজের অনেক কম জায়গা দখল করে অথচ একসাথে প্রায় ১২ থেকে ১৪টি ডিম (আকারের ওপর নির্ভর করে) রাখা যায়। যারা ফ্রিজে জায়গা বাঁচাতে চান, তাদের জন্য এটি আদর্শ।

২. অটোমেটিক রোলিং মেকানিজম:

এটি গ্র্যাভিটি বা অভিকর্ষ বলের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। যখন আপনি সামনের দিক থেকে একটি ডিম নেবেন, পেছনের ডিমগুলো নিজে থেকেই গড়িয়ে সামনে চলে আসবে। এতে করে আগের রাখা ডিমগুলো আগে ব্যবহার করা নিশ্চিত হয় (First In, First Out), যা ডিমের ফ্রেশনেস বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৩. ব্যবহারের সুবিধা:

 * সহজ ব্যবহার: কোনো অ্যাসেম্বলি বা সেটআপের ঝামেলা নেই। প্যাকেট থেকে বের করেই সরাসরি ব্যবহার করা যায়।

 * ভিজিবিলিটি: ডিম কয়টি আছে তা বাইরে থেকেই সহজে দেখা যায়, ফলে শেষ হওয়ার আগেই আপনি বাজার করার কথা মনে করতে পারবেন।

 * অ্যান্টি-স্লিপ বেস: এর নিচে সাধারণত রাবার বা অ্যান্টি-স্লিপ গ্রিপ থাকে, যা ফ্রিজের তাকে বা কাউন্টারটপে পিছলে যাওয়া আটকায়।

৪. বিল্ড কোয়ালিটি:

এটি সাধারণত ফুড-গ্রেড প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। এটি বেশ মজবুত এবং সহজে পরিষ্কার করা যায়।

ভালো দিক (Pros):

 * ফ্রিজে বা কিচেনে ডিম সাজিয়ে রাখার একটি প্রিমিয়াম লুক দেয়।

 * ডিম ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি কমায় কারণ প্রতিটি ডিম আলাদা ট্র্যাকে থাকে।

 * ডিম বের করা বা রিফিল করা খুব সহজ।

কিছু সীমাবদ্ধতা (Cons):

 * ডিমের আকার: খুব বেশি বড় বা এক্সট্রা লার্জ ডিমের ক্ষেত্রে অনেক সময় রোলিং হতে সমস্যা হতে পারে বা আটকে যেতে পারে।

 * সতর্কতা: ডিম রিফিল করার সময় সাবধানে রাখতে হয়, নয়তো জোরে গড়িয়ে গিয়ে ডিম ফেটে যাওয়ার সামান্য সম্ভাবনা থাকে।

আপনার কিচেন যদি ছোট হয় বা ফ্রিজে ডিমের কার্টনের কারণে জায়গা কম পান, তবে এই Automatic Egg Dispenser টি আপনার জন্য একটি চমৎকার ইনভেস্টমেন্ট। এটি আপনার রান্নাঘরকে যেমন অর্গানাইজড করবে, তেমনি আপনার দৈনন্দিন কাজকে আরও সহজ করবে।

(পরামর্শ: অর্ডার করার আগে সেলারের স্টোর রেটিং এবং অন্যান্য ক্রেতাদের ছবিসহ রিভিউগুলো চেক করে নিন যাতে অরিজিনাল কোয়ালিটির প্রোডাক্টটি পান।)

আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন

সকালের নাস্তায় নতুনত্ব আনতে ডিমের এই গ্যাজেটটি দারুণ। এতে ডিম আর সামান্য তেল দিলে তা নিজে থেকেই রোল হয়ে উপরে উঠে আসে।
* কেন কিনবেন: তেল কম লাগে এবং ছোট বাচ্চাদের জন্য মজাদার নাস্তা বানানো যায়।

এখনই অর্ডার করুন


৮. আরএফএল (RFL) এর জনপ্রিয় ব্র্যান্ড Vision-এর VSN-1206-Eco (873814) মডেলের ইন্ডাকশন কুকার

আরএফএল (RFL) এর জনপ্রিয় ব্র্যান্ড Vision-এর VSN-1206-Eco (873814) মডেলের ইন্ডাকশন কুকারটি বর্তমানে বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য একটি সাশ্রয়ী ও কার্যকরী সমাধান। নিচে এই পণ্যটির একটি বিস্তারিত রিভিউ তুলে ধরা হলো:

Vision Induction Cooker VSN-1206-Eco রিভিউ

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং মাঝেমধ্যে লাইনে গ্যাসের স্বল্পতার কারণে ইলেকট্রিক কুকার এখন প্রতিটি রান্নাঘরের অপরিহার্য অংশ। ভিশন ইকো সিরিজের এই মডেলটি মূলত স্থায়িত্ব এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।

১. ডিজাইন ও ডিসপ্লে:

এই কুকারটিতে রয়েছে একটি মার্জিত ব্ল্যাক গ্লাস টপ, যা দেখতে প্রিমিয়াম এবং পরিষ্কার করা খুব সহজ। এর ডিজিটাল ডিসপ্লে এবং পুশ-বাটন কন্ট্রোল প্যানেল ব্যবহারকারীকে খুব সহজেই তাপমাত্রা ও মোড পরিবর্তন করতে সাহায্য করে।

২. পারফরম্যান্স ও পাওয়ার:

 * ওয়াট: এটি সাধারণত ২০০০ ওয়াট (2000W) পর্যন্ত বিদ্যুৎ গ্রহণ করতে পারে, ফলে রান্না হয় অনেক দ্রুত।

 * তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ: এতে রান্নার জন্য ৫ থেকে ৮টি ভিন্ন ভিন্ন প্রিসেট মেনু (যেমন: ফ্রাই, স্যুপ, পানি গরম, মিল্ক ইত্যাদি) রয়েছে।

 * বিদ্যুৎ সাশ্রয়: এটি 'Eco' সিরিজের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সাধারণ হিটারের তুলনায় এটি অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ করে।

৩. নিরাপত্তা ফিচার:

ভিশনের এই মডেলে নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে:

 * Overheat Protection: কুকারটি অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে এটি নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়।

 * Auto-Off: পাত্র সরিয়ে ফেললে বা পানি শুকিয়ে গেলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে।

৪. বিল্ড কোয়ালিটি:

পণ্যটি বেশ মজবুত এবং এর ওপরের গ্লাসটি উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। এতে ফ্যান কুলিং সিস্টেম রয়েছে যা ভেতরের সার্কিটকে ঠান্ডা রাখে।

সুবিধা ও অসুবিধা (Pros & Cons)

 ভালো দিক (Pros) ও সীমাবদ্ধতা (Cons)

দ্রুত রান্না: গ্যাসের চেয়ে অনেক দ্রুত পানি গরম বা রান্না করা যায়। | পাত্রের সীমাবদ্ধতা: শুধুমাত্র ম্যাগনেটিক বেস (লোহা বা স্টিল) যুক্ত পাত্র ব্যবহার করা যায়।

পরিষ্কার রাখা সহজ: গ্লাস টপ হওয়ায় একটি ভেজা কাপড় দিয়ে মুছলেই নতুনের মতো দেখায়। শব্দ: কুলিং ফ্যান চলার সময় সামান্য শব্দ হতে পারে।

আফটার সেলস সার্ভিস: ভিশনের সারাদেশে সার্ভিস সেন্টার থাকায় ওয়ারেন্টি পাওয়া সহজ। ভোল্টেজ: ভোল্টেজ খুব বেশি আপ-ডাউন করলে পারফরম্যান্স কিছুটা কমতে পারে।

টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন একনজরে:

 * মডেল: VSN-1206-Eco

 * পাওয়ার: 2000W, 220V, 50Hz

 * কন্ট্রোল: পুশ বাটন

 * ওয়ারেন্টি: সাধারণত ১ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি থাকে (বিক্রেতা ভেদে ভিন্ন হতে পারে)।

চূড়ান্ত মতামত:

আপনি যদি বাজেটের মধ্যে একটি টেকসই এবং দ্রুত রান্নার ইলেকট্রিক কুকার খুঁজছেন, তবে Vision VSN-1206-Eco একটি চমৎকার পছন্দ। এটি বিশেষ করে স্টুডেন্ট, ছোট পরিবার বা গ্যাসের বিকল্প হিসেবে সেরা ভ্যালু প্রদান করে।

পরামর্শ: ইন্ডাকশন কুকার কেনার সময় মনে রাখবেন এটি ব্যবহারের জন্য অবশ্যই 'ইন্ডাকশন ফ্রেন্ডলি' (চৌম্বকীয় তলদেশযুক্ত) হাড়ি-পাতিল ব্যবহার করতে হবে। সাধারণ অ্যালুমিনিয়ামের পাতিল এতে কাজ করবে না।

আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন

ব্যাচেলর বা ছোট পরিবারের জন্য এই পোর্টেবল কুকারটি সেরা। এটি খুব দ্রুত উত্তপ্ত হয় এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। ফ্লাট সারফেস হওয়ায় পরিষ্কার করাও সহজ।
* কেন কিনবেন: গ্যাস সিলিন্ডারের বিকল্প হিসেবে এবং বহনে সুবিধাজনক।

এখনই অর্ডার করুন

৯. Air Fryer (Budget Friendly)

আপনার দেওয়া Philips Digital Display 6.2 Ltr Air Fryer XL (HD9270) মডেলটির ওপর এই ডিলটি সত্যিই অবিশ্বাস্য! ২৬,৫০০ টাকার পণ্য ১৪,৪৯০ টাকায় পাওয়া মানে প্রায় অর্ধেক দাম সাশ্রয়। নিচে এই প্রিমিয়াম এয়ার ফ্রাইয়ারটির একটি বিস্তারিত রিভিউ দেওয়া হলো:

Philips Air Fryer XL (HD9270/90) রিভিউ

ফিলিপস হলো এয়ার ফ্রাইয়ার প্রযুক্তির উদ্ভাবক, তাই তাদের ডিভাইসের নিখুঁত পারফরম্যান্স নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। যারা স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখতে চান এবং রান্নায় তেলের ব্যবহার ৯০% পর্যন্ত কমাতে চান, তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স।

১. ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি

এই মডেলটি বেশ প্রিমিয়াম এবং আধুনিক। এর কালো রঙের গ্লসি ফিনিশ আপনার রান্নাঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেবে। এর ৬.২ লিটার বা ১.২ কেজি ধারণক্ষমতার বাস্কেটটি বেশ বড়, যা একটি মাঝারি থেকে বড় পরিবারের (৪-৫ জন) জন্য যথেষ্ট। এটি দিয়ে আপনি একবারে আস্ত একটি মুরগি রোস্ট বা বড় পরিমাণে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি করতে পারবেন।

২. র‍্যাপিড এয়ার টেকনোলজি (Rapid Air Technology)

ফিলিপসের সিগনেচার 'স্টারফিশ' ডিজাইন এবং র‍্যাপিড এয়ার টেকনোলজি গরম বাতাসকে এমনভাবে সার্কুলেট করে যে খাবার ভেতর থেকে জুসি এবং বাইরে থেকে দারুণ ক্রিস্পি হয়। অন্যান্য সাধারণ এয়ার ফ্রাইয়ারের তুলনায় এটি অনেক বেশি সমানভাবে তাপ ছড়ায়, ফলে খাবার কাঁচা থাকার ভয় থাকে না।

৩. স্মার্ট টাচ কন্ট্রোল ও ফিচার

এর সামনের দিকে একটি বড় ডিজিটাল টাচ প্যানেল রয়েছে। এতে ৭টি প্রি-সেট রান্নার মোড আছে, যা এক ক্লিকেই কাজ শুরু করে। এছাড়া এতে আছে:

 * Keep Warm Function: রান্না শেষ হওয়ার ৩০ মিনিট পর পর্যন্ত খাবার গরম রাখে।

 * টাইমার ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ: আপনার প্রয়োজন মতো সময় ও তাপমাত্রা সেট করার পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন।

৪. পারফরম্যান্স ও সুবিধা

২০০০ ওয়াটের শক্তিশালী মোটর থাকায় এটি খুব দ্রুত গরম হয় এবং রান্না শেষ করে। এর বাস্কেটটি নন-স্টিক এবং ডিশওয়াশার সেফ, তাই পরিষ্কার করা খুব সহজ। এছাড়া ফিলিপসের 'NutriU' অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি শত শত রেসিপি দেখে নতুন নতুন রান্না শিখতে পারবেন।

৫. কিছু সীমাবদ্ধতা

প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড হিসেবে এর বিল্ড কোয়ালিটি চমৎকার হলেও, XL সাইজ হওয়ার কারণে এটি আপনার রান্নাঘরের কাউন্টারটপে কিছুটা বেশি জায়গা দখল করবে। এছাড়া এর পাওয়ার কর্ড বা তারটি কিছুটা ছোট হতে পারে, তাই সকেটের কাছে এটি বসাতে হবে।

কেন এটি আপনার কেনা উচিত?

সাধারণত ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় সাধারণ মানের এয়ার ফ্রাইয়ার পাওয়া যায়, কিন্তু ১৪,৪৯০ টাকায় ফিলিপসের XL সিরিজের একটি ডিজিটাল মডেল পাওয়া একটি "Steal Deal"। স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং রান্নার গুণমানের দিক থেকে ফিলিপস সবসময়ই এক ধাপ এগিয়ে।

টিপস: ব্যবহারের সময় বাস্কেটে খাবার একদম গাদাগাদি করে দেবেন না, এতে বাতাস চলাচলে বাধা পায়। সামান্য ফাঁকা রাখলে খাবার বেশি মচমচে হবে।

আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন

তেল ছাড়া বা খুব সামান্য তেলে ভাজাপোড়া খাওয়ার জন্য এয়ার ফ্রায়ার এখন সবার পছন্দের শীর্ষে। দারাজে বর্তমানে অনেক সাশ্রয়ী মডেল পাওয়া যায় যা স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য সেরা।
* কেন কিনবেন: ৮০% পর্যন্ত কম তেলে মচমচে খাবার তৈরি করা সম্ভব।

এখনই অর্ডার করুন

১০. Silicone Stretch Lids Set

দারাজ থেকে এই ৬ পিস রিইউজেবল সিলিকন স্ট্রেচ লিড (Silicone Stretch Lid) সেটটি সম্পর্কে একটি বিস্তারিত রিভিউ নিচে দেওয়া হলো। রান্নাঘরের ছোটখাটো সমস্যার সমাধানে এটি একটি অত্যন্ত স্মার্ট এবং সাশ্রয়ী সমাধান।

সিলিকন স্ট্রেচ সিল লিড (৬ পিস সেট) রিভিউ

রান্নাঘরে বাড়তি খাবার বা কাটা ফলমূল ফ্রেশ রাখার জন্য আমরা সাধারণত প্লাস্টিক র‍্যাপ বা পলিথিন ব্যবহার করি, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এই সিলিকন লিডগুলো সেই সমস্যার একটি টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প।

১. ডিজাইন ও সাইজ ভ্যারিয়েশন:

এই সেটে সাধারণত ৬টি ভিন্ন ভিন্ন সাইজের লিড থাকে। ফলে ছোট বাটি, মগ বা গ্লাস থেকে শুরু করে বড় সাইজের মিক্সিং বোল বা অর্ধেক কাটা তরমুজ পর্যন্ত যেকোনো কিছু ঢেকে রাখা যায়। এগুলো অত্যন্ত ইলাস্টিক বা নমনীয় হওয়ায় যেকোনো শেপের (গোল, চারকোনা বা ওভাল) পাত্রের সাথে সহজেই খাপ খেয়ে যায়।

২. এয়ার-টাইট ও লিক-প্রুফ সিল:

এই লিডগুলোর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এদের Vacuum Seal ক্ষমতা। সঠিকভাবে আটকাতে পারলে এটি পাত্রকে সম্পূর্ণ বাতাসমুক্ত করে ফেলে, ফলে খাবার দীর্ঘক্ষণ সতেজ থাকে। এমনকি আপনি যদি পানিভর্তি গ্লাস এই লিড দিয়ে ঢেকে উল্টেও ধরেন, পানি পড়ার ভয় থাকে না।

৩. ম্যাটেরিয়াল ও স্থায়িত্ব:

এগুলো হাই-কোয়ালিটি ফুড-গ্রেড সিলিকন দিয়ে তৈরি। এটি বিপিএ-মুক্ত (BPA Free), তাই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। এই সিলিকন লিডগুলো অনেক বেশি টেকসই; এগুলো ছিঁড়ে যাওয়ার ভয় কম এবং বারবার ধুয়ে বছরের পর বছর ব্যবহার করা যায়।

৪. বহুমুখী ব্যবহার:

 * ফ্রিজ সেফ: ফ্রিজে খাবার দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে এটি দারুণ কাজ করে।

 * মাইক্রোওয়েভ সেফ: খাবার গরম করার সময় এটি ব্যবহার করা যায় (তবে সামান্য বাতাস বের হওয়ার জায়গা রাখা ভালো)।

 * ডিশওয়াশার সেফ: এটি হাত দিয়ে বা ডিশওয়াশারে সহজেই পরিষ্কার করা যায়।

৫. সুবিধা ও কিছু বিষয়:

 * পরিবেশবান্ধব: প্লাস্টিক র‍্যাপের খরচ বাঁচায় এবং বর্জ্য কমায়।

 * সাশ্রয়ী: এক সেট কিনলে দীর্ঘদিনের জন্য নিশ্চিন্ত থাকা যায়।

 * সতর্কতা: ব্যবহারের সময় পাত্রের মুখ এবং সিলিকন লিড—উভয়ই শুকনো থাকতে হবে। যদি কোনোটি ভেজা থাকে, তবে লিডটি পিছলে যেতে পারে এবং ঠিকমতো সিল হবে না।

যারা রান্নাঘরকে গুছিয়ে রাখতে এবং অপচয় কমাতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই ৬ পিসের সিলিকন লিড সেটটি একটি মাস্ট-হ্যাভ (Must-have) গ্যাজেট। অত্যন্ত অল্প দামে এটি আপনার দৈনন্দিন কাজকে অনেক সহজ করে দেবে।

টিপস: ব্যবহারের পর হালকা কুসুম গরম পানি এবং সাবান দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে রাখলে এটি দীর্ঘদিন নতুনের মতো কাজ করবে।

খাবার সতেজ রাখতে প্লাস্টিক র‍্যাপের বদলে এই সিলিকন লিডগুলো ব্যবহার করুন। এগুলো যেকোনো আকারের বাটি বা পাত্রে ফিট হয়ে যায় এবং বাতাস ঢুকতে দেয় না।

আজকের অফারটি জানতে ক্লিক করুন 

কেন কিনবেন: বারবার ব্যবহারযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব।
প্রয়োজনীয় টিপস: দারাজ থেকে কেনার সময় সবসময় সেলার রেটিং এবং কাস্টমার রিভিউ দেখে অর্ডার করবেন। এতে আপনি সেরা মানের পণ্যটি পাওয়ার নিশ্চয়তা পাবেন।

এখনই অর্ডার করুন

আমি সব সময় চেষ্টা করি আপনাদের জন্য  প্রয়োজনীয় কিছু পণ্য সাজেস্ট করতে যা আপনাদের খুবই কাজে লাগতে পারে। অর্ডার করলে ঘরে বসে পাবেন। আপনি কমেন্ট বক্সে থাকা লিংকে ক্লিক করে সরাসরি এটা দারাজ থেকে কিনতে পারেন। রিভিউ, ডিসকাউন্ট মূল্য এবং রেটিং দেখে সন্তুষ্ট হলে অর্ডার করেন।

Popular Posts

HSC English First Paper English For Today Unit 3 Lesson 4

HSC English First Paper English For Today Unit 3 Lesson 4 Khona The mythical story of Khona is deeply rooted in Bangla folklore. Khona, originally named Lila, an incredible woman with a gift for predicting weather and understanding the ways of farming. Her wisdom was shared through memorable rhyming verses known as “Khona's Words" or "Khonar Bochon." These sayings, though simple and easy to remember, were filled with practical advice for farmers. Khona used her knowledge to help the peasants, but her actions often challenged the ruling class. The rulers, not pleased with her defiance, punished her cruelly by cutting out her tongue. Thus she became known as Khona, which means “someone who cannot speak." Despite this harsh punishment, her wisdom lived on through her sayings, which have been passed down for over 1500 years. There are many versions of Khona's story. One retelling goes like this: in the kingdom of Deyulnagar, there was a royal astrologer n...

HSC English First Paper English For Today Unit 1 Lesson 3

HSC English First Paper English For Today Unit 1 Lesson 3 Children in School  The New School Part-I: Reading Test  When she saw the gate of the new school, Totto-chan stopped. The gate of the school she used to go to had fine concrete pillars with the name of the school in large characters. But the gate of this new school simply consisted of two rather short posts that still had twigs and leaves on them. "This gate's growing." said Totto-chan. "It'll probably go on growing till it's taller than the telephone poles! The two "gateposts" were clearly trees with roots. When she got closer, she had to put her head to one side to read the name of the school because the wind had blown the sign askew. "To-mo-e Ga-ku-en." Totto-chan was about to ask Mother what "Tomoe" meant, when she caught a glimpse of something that made her think she must be dreaming. She squatted down and peered through the shrubbery to get a better look, and ...

Write a paragraph on environment pollution পরিবেশ দূষণ

Write a paragraph on environment pollution (পরিবেশ দূষণ) Environment Pollution Environment pollution means the pollution of air, water, sound, odour, soil and other elements of it. We need safe and clean environment. Pollution of it has tremendous bad effects. Any sort of pollution may bring the doom of life. At present, our environment is being polluted at an alarming rate, Air, the most important element of environment is polluted by smoke from railway engines and power-houses, or the burning of coal and oil or the making of bricks. Water, another vital element is being polluted by the use of chemicals and insecticides or oil seeping from damaged super tankers or by industrial discharge. Sound pollution is caused by the use of microphones and loud speakers. All these pollutions may wipe out our existence from the earth. The destruction of forest also causes environment imbalance that makes the wild animals wipe out. So, it is our moral duty to prevent environment pollution. We must ...